Abhijeet Dipke : 'অভ্যন্তরীণ কোন্দল', ককরোচ জনতা পার্টিতে বিভাজন-দাবির মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট অভিজিৎ দীপকের
নয়াদিল্লি : ককরোচ জনতা পার্টিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই, সেই গুঞ্জন নিয়ে রসিকতা করলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সংগঠনের অপর দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তার ক্যাপশন দিয়েছেন- "অভ্যন্তরীণ কোন্দল।" ইনস্টাগ্রাম ও এক্স হ্যান্ডেলে ছবিটি শেয়ার করে

নয়াদিল্লি : ককরোচ জনতা পার্টিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই, সেই গুঞ্জন নিয়ে রসিকতা করলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সংগঠনের অপর দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তার ক্যাপশন দিয়েছেন- "অভ্যন্তরীণ কোন্দল।" ইনস্টাগ্রাম ও এক্স হ্যান্ডেলে ছবিটি শেয়ার করেছেন দীপকে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এই ছবি ও তার ক্যাপশনের মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সংগঠনের মধ্যে বিভাজনের দাবিকে উপহাস করতে চেয়েছেন। কয়েকদিন আগেই সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জামিন পেয়ে তিহাড় জেল থেকে মুক্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে তাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি। Internal rift🥴 https://t.co/aREZ0JoNIH — Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 26, 2026 ছবিটিতে দেখা গেছে, দীপকে তাঁদের (সৌরভ ও আশুতোষ) মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে আরন তাঁরা কৌতূকপূর্ণ ভঙ্গিতে তাঁর মাথার ওপর নিজেদের মুঠো তুলে ধরে আছেন। দীপকে সিজেপি (CJP) সদস্যদের নিয়ে একটি মজার ভিডিও-ও শেয়ার করেছেন, যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, "এর পর আর কেউ বাগানে একা হাঁটবে না!" সিজেপি নেতারা উত্তরে বলেন, "ঠিক আছে শক্তিমান।" সংগঠনের অভ্যন্তরীণ গতিপ্রকৃতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠার মধ্যেই এই পোস্টগুলি সামনে এল। বিশেষ করে দীপাবলি পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিরতি নেওয়ার ঘোষণা করেছে সিজেপি (CJP), যার কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছে যে, সদস্যদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো প্রয়োজন। ২২ অক্টোবর তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পান রাঙ্কা ও দাস। স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে এর শর্ত হিসেবে তাঁদের ৫০,০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড ও জামানত বন্ড জমা দিতে হয়েছে এবং শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি (CJP)-এর একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত ১৩ অক্টোবর থেকে এই দুই নেতা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তাঁরা প্রতিবাদস্থল হিসেবে আর অনুমোদিত নয় এমন জায়গায় প্রবেশ করেছিলেন এবং শান্তি বজায় রাখার জন্য দেওয়া মুচলেকা (পিস বন্ড) লঙ্ঘন করেছিলেন। রাঙ্কা ও দাস তাঁদের অঙ্গীকারনামায় শান্তি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, আইন অনুযায়ী যন্তর মন্তর এলাকাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তকমা থেকে মুক্ত না করা পর্যন্ত তাঁরা সেখানে কোনও বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেবেন না।