Abhijeet Dipke : 'এবার পুরো দেশই যন্তর মন্তর হয়ে উঠবে !' হুঙ্কার অভিজিৎ দীপকের
নয়াদিল্লি : দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখানোর জায়গা থেকে 'বাদ' পড়ল যন্তর মন্তর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, যন্তর মন্তরে আর করা যাবে না কোনও বিক্ষোভ-ধর্না। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন অভিজিৎ দীপকে। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা লিখলেন, ওরা যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভে

নয়াদিল্লি : দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখানোর জায়গা থেকে 'বাদ' পড়ল যন্তর মন্তর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, যন্তর মন্তরে আর করা যাবে না কোনও বিক্ষোভ-ধর্না। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন অভিজিৎ দীপকে। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা লিখলেন, ওরা যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করেছে। হ্যাঁ, এটি আর বিক্ষোভ দেখানোর জায়গা নয় ; কারণ এমনিতেই এক কাপুরুষ স্বৈরাচারী জায়গাটিকে রণক্ষেত্রে পরিণত করেছিলেন। এবার পুরো দেশই যন্তর মন্তর হয়ে উঠবে !" এই ইস্যুতে আরও একটি এক্স করেন অভিজিৎ। They have removed Jantar Mantar as a designated protest site. Yes, it’s no a longer protest site as anyway it was turned into a war zone by the coward dictator. Ab poora desh Jantar Mantar banega! — Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 12, 2026 সেখানে তিনি লেখেন, "আজ মোদি যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি বাতিল করলেন। আগামীকাল তিনি খোদ গণতন্ত্রের স্বীকৃতিই বাতিল করে দেবেন। স্বৈরাচারের সমস্যাটা কখনোই বিক্ষোভের স্থান নিয়ে ছিল না; সমস্যাটা ছিল মানুষের প্রতিবাদ করার ধারণা নিয়েই।" Today, Modi denotified Jantar Mantar as a designated protest site. Tomorrow, he will denotify democracy itself. The dictator’s problem was never the protest site. It was the very idea of people protesting. — Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 12, 2026 দিল্লি পুলিশের সোমবার জারি করা একটি নির্দেশে জানানো হয় যে, লুটিয়েন্স দিল্লির অন্তর্গত যন্তর মন্তরকে আর বিক্ষোভ ও আন্দোলনের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে রাখা হবে না। এই ঘোষণার পরই অভিজিৎ দীপকে প্রতিক্রিয়া জানান সমাজ মাধ্যমে। পুলিশ রাজধানীতে এ ধরনের সমাবেশ আয়োজনের জন্য তিনটি বিকল্প স্থানও চিহ্নিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সার্কুলার অনুযায়ী, নাগরিকরা যাতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ আয়োজনের অধিকার চর্চা করতে পারেন, এমন বিকল্প স্থানগুলি খতিয়ে দেখার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, রামলীলা ময়দান, বুরাড়ি ময়দান, সিবিডি ময়দানকে বিকল্প তিন জায়গা হিসাবে বেছে নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে যে, ওই তিনটি স্থানে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ আয়োজনের জন্য বিস্তারিত ও সংশোধিত আদর্শ পরিচালন পদ্ধতি (SOP) আলাদাভাবে জারি করা হবে।