Abhishek Banerjee: অবশেষে DJ-মন্তব্য মামলায় ভয়েস স্যাম্পেল দিতে বিধাননগর আদালতের পথে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা: হাইকোর্টের নির্দেশে আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ভয়েস স্যাম্পেল দেওয়ার দিন। ইতিমধ্যেই বিধান নগর আদালতে পৌঁছে গিয়েছেন অভিষেক। আজ সকাল থেকেই, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বাইরের ছবিটা ছিল একেবারেই আলাদা। আজ সকালেই তাঁর বাড়িতে আসেন আইনজীবীরা, বাড়ির বাইরে নিরাপত্তারক্ষীদে

কলকাতা: হাইকোর্টের নির্দেশে আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ভয়েস স্যাম্পেল দেওয়ার দিন। ইতিমধ্যেই বিধান নগর আদালতে পৌঁছে গিয়েছেন অভিষেক। আজ সকাল থেকেই, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বাইরের ছবিটা ছিল একেবারেই আলাদা। আজ সকালেই তাঁর বাড়িতে আসেন আইনজীবীরা, বাড়ির বাইরে নিরাপত্তারক্ষীদেরও সজাগ ছবি ধরা পড়ে। অবশেষে ১১টা নাগাদ বিধান নগর আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সকাল থেকে বিধাননগর আদালতেও কড়া নিরাপত্তার ছবি ধরা পড়েছে। বেলা ১২টায় ভয়েজ স্যাম্পেল দেওয়ার কথা অভিষেকের। আদালতে হাজিরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের DJ-মন্তব্য মামলায় এর আগে ২ বার হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন অভিষেক। ৩০ জুন ও ৮ জুলাই, এই ২ দিন হাজিরার দিন ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু ২ দিন, ২ রকম কারণ দেখিয়ে, হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন অভিষেক। এরপরে অসহযোগিতা করলে রক্ষাকবচ কাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, 'তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে বলেই আদালত রক্ষাকবচ দিয়েছে। না হলে সেটা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।' এখানেই শেষ নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গরহাজিরা নিয়ে এর আগে ভর্ৎসনা পর্যন্ত করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সদ্যই আদালত এই বিষয়ে ভর্ৎসনা করে বলেছিল, 'সবকিছুর একটা সীমা আছে, বিচারক একটা নির্দেশ জারি করেছে, সেটা মানতে বাধ্য।' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দৃষ্টান্তমূলক আর্থিক জরিমানার হুঁশিয়ারিও দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। এই সবকিছুর পরে, অবশেষে আজ DJ-মন্তব্য মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছেন অভিষেক। দলের অন্দরেই অভিষেককে নিয়ে ক্ষোভ অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বা অনুব্রত মণ্ডলের মতো প্রবীণ তৃণমূল নেতারও এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরে সরে গিয়েছেন। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে তৃণমূলের মধ্যে যে অভিষেক বিরোধী ঝড় বইছিল, তা এখন পরিণত হয়েছে সাইক্লোনে। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলছেন, 'অভিষেককে কিছুদিনের জন্য আলাদা করে দেওয়া উচিত। সাইড করে দেওয়া উচিত। রাজনীতির অঙ্গন থেকে সরিয়ে রাখা উচিত। দিদি যদি সংশোধন করে, মানুষের দাবির প্রতি যদি দিদি আস্থা দেখায়, অর্থাৎ অভিষেককে যদি সাইড করে দেয় দল থেকে, তাহলে হয়তো আবারও সমস্ত নেতা-নেত্রী, MLA, MP আবার ফিরতে পারে দিদির পাশে।' এই বিষয়ে সিউড়ির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী বলেছেন, 'আমার তো মনে হয় ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের) প্রতি তো অনেকের শ্রদ্ধা, ভালবাসা সবই আছে। কিন্তু সেনাপতি, তাঁর প্রতি আমাদের ভরসা নেই।" ঋতব্রত তৃণমূলের পদ পয়েয়েছেন সন্তোষ কুমার সিং। তিনিও সওয়াল করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য, "আমাদের পরিষ্কার কথা যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে কর্পোরেট তৃণমূলের নাম করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জানেন ৮০ টার উপর বিধায়কের নাম কেটে দিয়েছিল। যদি ২০০ সিটও এবারে তৃণমূল পেত, তাহলেও ৮০ থেকে ৯০ জন বিধায়ক প্রথম মিটিংয়েই যেত না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন সরে যাবেন, সেদিন দেখবেন। কী হয় দেখে নেবেন। সরকারটাকেই পুরো কব্জায় করে নিয়েছিল।' আরও পড়ুন: Sonam Wangchuk: 'উনি গোটা বিশ্বে সমাদৃত, বিষয়টায় নজর দিন সরকার', সোনম ওয়াংচুকের পাশে এবার জিনাত আমন, অভয় দেওল