Abhishek Banerjee: ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের অফিস থেকে থরে থরে টাকার বান্ডিল উদ্ধার, সাংবাদিকদের মুখোমুখি অভিষেক, শামিম আহমেদকে পাশে নিয়ে যা বললেন..
কলকাতা: ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় তৃণমূলের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে এক কোটিরও বেশি টাকা। যা নিয়ে মুখ্য়মন্ত্রীর মুখে শোনা গেছিল কিংপিনের কথা। এই ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার পাল্টা মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তাঁর পাশে দেখা যায় বিধায়ক শামিম আহমেদকে। যিনি তৃণমূলের ওই পার্টি অফিসে বসতেন। [yt]https://youtu.be

কলকাতা: ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় তৃণমূলের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে এক কোটিরও বেশি টাকা। যা নিয়ে মুখ্য়মন্ত্রীর মুখে শোনা গেছিল কিংপিনের কথা। এই ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার পাল্টা মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তাঁর পাশে দেখা যায় বিধায়ক শামিম আহমেদকে। যিনি তৃণমূলের ওই পার্টি অফিসে বসতেন। [yt]https://youtu.be/QYWLjtKNXio?si=f276bWfwSdW0EJOP[/yt] আরও পড়ুন, সিঙ্গুর নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনা আছে ? যা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী.. ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় তৃণমূলের অফিস থেকে টাকা উদ্ধার , সাংবাদিকদের মুখোমুখি অভিষেক দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের সরিষা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র। বুধবার, এখানেই তৃণমূলের অফিস থেকে উদ্ধার হয় এক কোটিরও বেশি টাকা। থরে থরে এভাবেই সাজানো ছিল টাকার বান্ডিল। কয়েকমাস আগে অবধিও দক্ষিণ ২৪ পরগনা মানেই ছিল তৃণমূলের গড়। আর ডায়মন্ড হারবার তো খোদ অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের লোকসভা কেন্দ্র। পুলিশ জানিয়েছে, তৃণমূলের অফিসে টাকার হদিশও মিলেছে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্তসহায়ক, ধৃত সুমিত রায়কে জেরা করেই। তাৎপর্যপূর্ণভাবে তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গেছে কিংপিনের কথা। "ওদের প্রতিদিনের রোজগার ছিল এগুলো বা এদের যিনি মাথা, কিংপিন, তার...", কী বললেন মুখ্য়মন্ত্রী ? মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মনেই নেই কোথায় রেখে গেছিল। ওদের প্রতিদিনের রোজগার ছিল এগুলো বা এদের যিনি মাথা, কিংপিন, তার একঘণ্টার রোজগার বলে দিতে হয়।এই পার্টি অফিসে বসতেন মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদ। বৃহস্পতিবার তাঁকে পাশে নিয়েই পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। টাকা উদ্ধার নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে কংগ্রেস। " তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে আমরা এর আগেও টাকা...দেখেছি", প্রতিক্রিয়া অধীরের প্রদেশ কংগ্রেস প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে আমরা এর আগেও টাকা...দেখেছি। মন্ত্রীর বাড়িতে, নেতার বাড়িতে, নেত্রীর বাড়িতে। টাকার তো অভাব ছিল না তৃণমূল আমলে। তার কিছু অবশিষ্টাংশ তো এখনও আছে। পার্টি অফিসে এই টাকা কোথা থেকে এল? কে রেখেছিল? তা নিয়ে চলছে চাপানউতোর। মমতা-তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, ২১ মে রাতে, বিজেপির দুষ্কৃতীরা এই পার্টি অফিসে আসে, ভাঙচুর করে এবং লুঠপাট করে। কমপ্লেনে পরিষ্কারভাবে, বিস্তারিতভাবে বলা আছে, অফিসটা আমরা ছেড়ে দিয়েছি। ১৬০ দিন পরে, ৩ মাস ১০ দিন বাদে সেখান থেকে কারেন্সি নোট উদ্ধার করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, টাকা উদ্ধার ঘিরে সরগরম রাজ্যরাজনীতি।