Abhishek Banerjee Vs Madan Mitra: মদন মিত্রকে আইনি নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের দাবি
কলকাতা : মদন মিত্রকে আইনি নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আইনজীবী মারফত কামারহাটির বিধায়ককে নোটিস অভিষেকের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপরাধী ও খুনি বলার অভিযোগে নোটিস। গত ১৯ জুলাই ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ সম্প্রচারে অভিষেককে আক্রমণ মদনের। ফেসবুক লাইভে অভিষেককে অপরাধী ও খুনি বলে অভিযোগ করেন বিধায়ক। এই সমস্ত

কলকাতা : মদন মিত্রকে আইনি নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আইনজীবী মারফত কামারহাটির বিধায়ককে নোটিস অভিষেকের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপরাধী ও খুনি বলার অভিযোগে নোটিস। গত ১৯ জুলাই ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ সম্প্রচারে অভিষেককে আক্রমণ মদনের। ফেসবুক লাইভে অভিষেককে অপরাধী ও খুনি বলে অভিযোগ করেন বিধায়ক। এই সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে, ভিত্তিহীন, বিদ্বেষমূলক, উল্লেখ নোটিসে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মদন মিত্রকে নিঃশর্তে ক্ষমা চাওয়ার দাবি। নোটিস পাঠিয়ে ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের দাবি অভিষেকের। ঋতব্রত-তৃণমূল শিবিরের উদ্দেশে শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছিলেন, আপনারা ফিরে আসুন। আমি এক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দিয়ে দিচ্ছি। মঙ্গলবার ২১ জুলাইয়ের ঋতব্রত-তৃণমূলের মঞ্চ থেকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মদন মিত্র। নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তৃণমূলের দলীয় তহবিলের টাকার প্রসঙ্গ তুলে বিঁধেছেন বিরোধী দলনেতা। কালীঘাট-তৃণমূলের মঞ্চ থেকে পাল্টা আক্রমণ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শনিবার 'ঋতব্রত-তৃণমূল'কে নিশানা করে, তাদের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার ২১ জুলাইয়ের মেয়ো রোডের মঞ্চ থেকে পাল্টা জবাব দিলেন মদন মিত্র। একুশে জুলাইয়ের সমাবেশে যাওয়ার আগেই গ্রেফতার এই তৃণমূল নেতা, এই নিয়ে ৩ মাসে ২ বার প্রসঙ্গত, শনিবার নিজের বাড়ির সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলত্যাগীরা যদি তৃণমূলে ফিরে আসেন, তাহলে তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। তাঁর দাবি, বিরোধী শিবিরে গিয়ে অনেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাত থেকে বাঁচার আশ্বাস পাচ্ছেন। অন্যদিকে, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-র স্ক্যানারে মদন মিত্র আগামী ২৯ জুলাই সকাল ১১টায় কামারহাটির বিধায়ককে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই মামলায় আগেই মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে তলব করেছে ইডি। আজ ও আগামীকাল ব্যাঙ্কের নথিপত্র নিয়ে CGO কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা মিত্র এবং দুই ছেলে স্বরূপ মিত্র ও শুভরূপ মিত্রকে। সূত্রের খবর, তিনটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে দুটি থেকে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। কামারহাটি পুরসভায় মদন মিত্রর সুপারিশে একাধিক নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ। টাকার বিনিময়ে কি সুপারিশ করা হয়েছিল? সেখান থেকে মদন মিত্র কি কোনওভাবে লাভবান হয়েছেন? সূত্রের খবর, এসব জানতেই তৃণমূল বিধায়ক ও তার পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।