Accident News: দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, মৃত ৮, আহত প্রায় ১৫ জনেরও বেশি যাত্রী
রাজস্থান: শনিবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল রাজস্থানের কোটায়। দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাপক চঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ থেকে জয়পুরের দিকে যাচ্ছিল যাত্রীবাহী একটি গাড়ি। হঠাৎ সিমলিয়া থানা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি প্রথমে একটি ডিভাইডার

রাজস্থান: শনিবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল রাজস্থানের কোটায়। দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাপক চঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ থেকে জয়পুরের দিকে যাচ্ছিল যাত্রীবাহী একটি গাড়ি। হঠাৎ সিমলিয়া থানা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি প্রথমে একটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারে, তারপর সেই ডিভাইডার ভেঙে প্রায় ১৫ ফুট নিচে একটি খালে পড়ে যায়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের এবং প্রায় ১৫ জনেরও বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে কোটা জেলায় দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে তীর্থযাত্রীবাহী একটি বাস উল্টে গিয়ে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। সূত্রের খবর, বাসটিতে বয়স্ক ও শিশুসহ ২৫ জন যাত্রী ছিলেন। সকাল ৬টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সুত্রে খবর, বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে গিয়ে প্রায় ১৫ ফুট গভীর একটি খালে পড়ে যায়। প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা গেছে, গাড়ি চালানোর সময় চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। গাড়িটির গতি বেশি থাকার কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং ট্র্যাভেলারটি সরাসরি একটি ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে কালভার্টে গিয়ে পড়ে। ধাক্কার তীব্রতা এতটাই ছিল যে, গাড়িটির সামনের অংশ একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। দুর্ঘটনাটি ঘটার পর চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। উদ্ধার কাজে হাত লাগান স্থানীয়রা। খাল থেকে যাত্রীদের টেনে তোলার জন্য হাত লাগান সকলে। দুর্ঘটনার পর এক্সপ্রেসওয়েতে ভিড় জমে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে সিমলিয়া থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে কোটার নিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (NHMC Hospital) এবং এমবিএস হাসপাতালে (MBS Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়। সিমলিয়া থানার কর্মকর্তা নন্দ সিং-জানান, এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজন নিহত হয়েছেন এবং আনুমানিক ১৫-১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অজানা, তা নিয়ে বর্তমানে তদন্ত চলছে। কোটা জেলার জেলা প্রশাসক পীযূষ সামারিয়া জানিয়েছেন, ১৭ জনকে এনএইচএমসি হাসপাতালে এবং আটজনকে এমবিএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরই তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কোটা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ নীলেশ জৈন জানিয়েছেন যে, দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত সকলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অরুণা, বৈষ্ণবী, তৃষা, কৃষ্ণা, অনিতা, ওম সূর্যবংশী এবং রাজু। দুর্ঘটনায় বাস চালকেরও মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে আট হয়েছে।