AFG vs BAN Test: লিটনের বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে ১৪২ ওভার ব্যাটিং করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র আফগানিস্তানের
দুবাই: বাংলাদেশ-এর বিরুদ্ধে আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে (Sheikh Zayed Stadium) একমাত্র টেস্ট ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ কীর্তি গড়ল। টেস্ট ম্যাচটি ড্র হয়েছে। তবে আফগানিস্তান হারতে হারতে ম্যাচ ড্র করেছে দারুণ লড়াই চালিয়ে। দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানিস্তান ১৪২ ওভার ব্যাটিং করে হার এড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ

দুবাই: বাংলাদেশ-এর বিরুদ্ধে আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে (Sheikh Zayed Stadium) একমাত্র টেস্ট ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ কীর্তি গড়ল। টেস্ট ম্যাচটি ড্র হয়েছে। তবে আফগানিস্তান হারতে হারতে ম্যাচ ড্র করেছে দারুণ লড়াই চালিয়ে। দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানিস্তান ১৪২ ওভার ব্যাটিং করে হার এড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল। এর জবাবে আফগানিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৬ রান করে হার বাঁচায়। বাংলাদেশ এই ম্যাচে তাদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করেছিল। বাংলাদেশ-এর হয়ে তাঞ্জিদ হাসান তামিম ৮৩ এবং লিটন দাস (Litton Das) ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন। আফগানিস্তানের হয়ে বোলিংয়ে মহম্মদ সালিম সইফি ৪ উইকেট, ইয়ামিন আহমেদজাই ৩ উইকেট এবং ইসমাত আলম ২ উইকেট নেন। জবাবে আফগানিস্তান দল তাদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৪০ রান তোলে। অধিনায়ক রহমত শাহ অপরাজিত ১০৫ রান করেন। বাংলাদেশ-এর হয়ে হাসান মাহমুদ হ্যাটট্রিক সহ ৫ উইকেট নেন এবং এবাদত হোসেন ৪ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পাওয়ার পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস ৩৭২ রানে ডিক্লেয়ার করে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮২, মুশফিকুর রহিম (Mushfiqur Rahim) ৮১ এবং লিটন দাস (Litton Das) ১০২ রানের ইনিংস খেলেন। আফগানিস্তানের সামনে ম্যাচ জেতার জন্য ৪৭৯ রানের পাহাড়-সম লক্ষ্য দাঁড়ায়। দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানিস্তানের শুরুটা ভাল হয়নি। আব্দুল মালিক মাত্র ২ রান করে আউট হন। প্রথম ইনিংসে ১০৫ রান করা অধিনায়ক রহমত শাহ এবং সেদিকুল্লা অটল দায়িত্ব নেন এবং তৃতীয় উইকেটে ৮২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। রহমত ১২৪ বল খেলে ৫১ রান করে আউট হন। অটল দারুণ ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি করেন। তিনি এই ইনিংসে ৯টি চার এবং ৩টি ছক্কা মারেন। হাশমাতুল্লা শাহিদি ৩৬ রানের অবদান রাখেন। সেঞ্চুরির ইনিংস খেলার পর অটল আউট হলে আফগানিস্তানের স্কোর ৭ উইকেটে ২৮১ রান ছিল। এরপর অষ্টম উইকেটে ইয়ামিন আহমেদজাই এবং কোয়েইস আমেদ ১১০ বল খেলে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ইয়ামিন ১৯ রান করে আউট হন। কিন্তু কোয়েইস ক্রিজে টিকে থাকেন এবং ৮০ বল খেলে ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশ-এর হয়ে রেকর্ড গড়লেন লিটন। প্রথম ইনিংসে ৫৩ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১০২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। যার ফলে তাঁকে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত করা হয়। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম উইকেটকিপার ব্যাটার হিসাবে এক ম্যাচে উইকেটের পিছনে ৯টি শিকারের পাশাপাশি দুই ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরি করলেন লিটন। আরও পড়ুন: 'রোজ রাতে কেঁদেছি, বাবা-মায়ের জন্য কষ্ট হতো', জেল থেকে বেরিয়ে সেঞ্চুরির স্বস্তি অভিষেকের