Agnimitra Paul: "..সম্ভবত কয়েকজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে", দলের একাংশকে শমীকের কড়া বার্তার পর যা জানালেন অগ্নিমিত্রা..
কলকাতা: শমীক, দিলীপের পর এবার তোলাবাজি বন্ধে কড়া বার্তা অগ্নিমিত্রা পালের। দলের একাংশকে কড়া বার্তা দিয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেছেন,'রাজ্য সভাপতি বলে দিয়েছেন, এসব করলে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে। আমরা বলি না যে, তোলাবাজি করে ৭০%-৩০% ভাগ পাঠাও। সবাইকে তো ওয়াশিং মেশিন বা ডিটারজেন্টে ধুয়ে আনিনি, মন

কলকাতা: শমীক, দিলীপের পর এবার তোলাবাজি বন্ধে কড়া বার্তা অগ্নিমিত্রা পালের। দলের একাংশকে কড়া বার্তা দিয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেছেন,'রাজ্য সভাপতি বলে দিয়েছেন, এসব করলে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে। আমরা বলি না যে, তোলাবাজি করে ৭০%-৩০% ভাগ পাঠাও। সবাইকে তো ওয়াশিং মেশিন বা ডিটারজেন্টে ধুয়ে আনিনি, মন্তব্য অগ্নিমিত্রার। [yt]https://youtu.be/CAxrCR39RcU?si=G_Mperz-QtSeyG9b[/yt] আরও পড়ুন, অভিষেকের ‘বিদেশ যাত্রা’-র মামলার শুনানি শেষ, এল ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ, কী জানাল শীর্ষ আদালত ? অগ্নিমিত্রা বলেন, সবাইকে তো ওয়াশিং মেশিন বা ডিটারজেন্টে ধুয়ে এনেছি, তাতো নয়, সেতো সেই রক্ত মাংসের মানুষ। আজকে সরকার এসেছে, অনেকে ভাবছে,আমরা এটা করেই এবার রোজগার করব। ৪ টে হেল্পলাইন নাম্বার দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে মানুষ ফোন করেও জানাতে পারে। একটা ইললিগাল টোল ট্যাক্স, একটা হচ্ছে ইললিগাল সিন্ডিকেট, তোলাবাজি, আরেকটা হচ্ছে মদের ঠেক চালাচ্ছে। আপনি সামনে আসতে চান না। আপনি ফোন করে বলিয়ে দিন। আমাদের রাজ্য সভাপতি সাংগাঠনিকভাবে হি ইজ অ্যা আলটিমেট, ইন আওয়ার স্টেট। উনি তো পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, দল থেকে বের করে দেওয়া হবে।এবং সম্ভবত কয়েকজনকে এক্সপেল করা হয়েছে।.. সামনে একটা কথা বলব, ভিতরে বলব, নানা তোলাবাজি করো, ৭০-৩০ শতাংশের হিসেবে..এই ডিলিংগুলি আগের সরকারের মতো আমরা করি না। যেটা বলি সামনাসামনি , মুখে বলি।’ মূলত, শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এখন যে কোনও জায়গায় কোম্পানি খুলতে গেলে আপনি নিজেই নিজের ইট কিনতে পারবেন। সিমেন্ট কিনতে পারবেন। বালি কিনতে পারবেন। কেউ যদি যায়, ফোন করার ব্যবস্থা আছে, ফোন করবেন। দেখবেন হয় সে সেখান থেকে চলে গেছে। নাহলে লকআপের ভিতরে ঢুকে গেছে। এই ব্যবস্থা আমরা অন্তত করতে পেরেছি। যদি সর্বত্র করতে পারা গেছে, একথা বললে মিথ্যাচার করা হবে। 'এই প্রেক্ষাপটে তৃণমূলের প্রশ্ন, তাহলে কি শমীক ভট্টাচার্য ঘুরিয়ে মেনে নিচ্ছেন, যে সিন্ডিকেট, তোলাবাজি, এসব এখনও বন্ধ হয়নি?('কালীঘাট-তৃণমূল') বেলেঘাটা বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি। একটা দলের রাজ্য সভাপতিকে দলটা ২ মাস হয়েছে সরকারে এসেছে, বলতে হচ্ছে এইভাবে তোলাবাজি চলবে না। প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে এই তোলাবাজি বলুন, এই ধরনের ভাইরাসে এই ২ মাসের সরকারের নেতৃত্বাধীন বিজেপিটাও ভরপুর আক্রান্ত।