Agnimitra Paul: 'ছাত্রদের প্রতিবাদকে সমর্থন করছি, কিন্তু দেশবিরোধী শক্তিকে প্রশ্রয় নয়', হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার
কলকাতা: NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তার প্রতিবাদের নামে ধর্মতলায় যে তাণ্ডব হয়েছিল, তারই প্রতিবাদে তিরঙ্গা যাত্রা করল বিজেপি। যত লোক নিয়ে মিছিল, একই রুটে দ্বিগুণ লোক নিয়ে মিছিল, জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই তিরঙ্গা যাত্রা থেকেই দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অগ্নিমিত্রা পাল। জাতীয় পতাকা

কলকাতা: NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তার প্রতিবাদের নামে ধর্মতলায় যে তাণ্ডব হয়েছিল, তারই প্রতিবাদে তিরঙ্গা যাত্রা করল বিজেপি। যত লোক নিয়ে মিছিল, একই রুটে দ্বিগুণ লোক নিয়ে মিছিল, জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই তিরঙ্গা যাত্রা থেকেই দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অগ্নিমিত্রা পাল। জাতীয় পতাকা হাতে বেরনো এই মিছিলে হাঁটার ফাঁকেই পুরো ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী জানালেন, 'আজকে তিরঙ্গা যাত্রা করছি আমরা। আজ দেশের, আমাদের বাচ্চা, ছাত্রছাত্রীদের যে ইস্যু, তাকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু বাচ্চাদের শিখণ্ডী করে বিরোধী দলগুলো যেভাবে নিজেদের এজেন্ডা নিয়ে দেশবিরোধী বার্তা তুলছে, তা একেবারেই কাম্য নয়। স্লোগান তোলা হচ্ছে ৩৭০ ফিরিয়ে আনার, কাশ্মীর আজাদ করার স্লোগান এগুলো কোথা থেকে আসছে? দেশবিরোধী কাজ করেছে, অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এটা আমরা কখনই মেনে নেব না। ছাত্রদের প্রতিবাদকে কাজে লাগিয়ে যারা দেশকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, তা আমরা কখনই হতে দেব না।' জন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের পরই শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। বিক্ষোভ-পরবর্তী সময়ে অনেককে টার্গেট বানানোর আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছে CJP। দাস জানিয়েছেন যে, দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করার আগে ও পরে-উভয় সময়েই আইনি পরামর্শের জন্য CJP সিবালের সঙ্গে আলোচনা করেছে। সৌরভ বলেন, 'আমরা কপিলজির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলাম এবং আইনি পরামর্শ নিয়েছিলাম। ২৫ তারিখে যখন আমরা আন্দোলন স্থগিত করি, তখন আমাদের আশঙ্কা ছিল যে ভবিষ্যতে। আন্দোলন স্তিমিত হয়ে পড়লে বা এর গতি কমে গেলে—সরকার হয়তো ব্যক্তিগতভাবে আন্দোলনকারীদের টার্গেট করতে শুরু করবে। এই আশঙ্কাটি অত্যন্ত যৌক্তিক, কারণ অন্যান্য বড় আন্দোলনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল দেখা গেছে, যেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।" তাঁর সংযোজন, 'প্রথম দিন থেকেই সকল শিক্ষার্থীকে আইনি ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং আইনজীবীদের সঙ্গে সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে তাঁরা সারা দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা পান। দেশজুড়ে সব আন্দোলনকারীকে সবরকমের সাহায্য দিচ্ছে CJP।' কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে তৃতীয় দফার আলোচনার পর ককরোচ জনতা পার্টি শনিবার তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে। তারপরই মধ্য দিল্লিতে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর অতিরিক্ত দায়িত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশির উপর।