Aishe Ghosh : 'আমরা সহজে দমে যাওয়ার পাত্র নই, এই হেনস্থা বন্ধ না হলে...', ঐশী ঘোষের পাশে দাঁড়িয়ে বড় বার্তা ককরোচ জনতা পার্টির
নয়াদিল্লি : ঐশী ঘোষের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা ককরোচ জনতা পার্টির। 'ঐশী ঘোষকে হেনস্থা ও ভয় দেখানোর চেষ্টা কাপুরুষোচিত ও নিন্দনীয়', বলে সরব হল তারা। এক্স হ্যান্ডেলে তারা আরও লেখে, 'সারা দেশে পুলিশ বাহিনী যেভাবে ছাত্র-বিক্ষোভকারীদের হেনস্থা করছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই।' এদিন ঐশী ঘোষের খোঁজে সিপিএমের

নয়াদিল্লি : ঐশী ঘোষের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা ককরোচ জনতা পার্টির। 'ঐশী ঘোষকে হেনস্থা ও ভয় দেখানোর চেষ্টা কাপুরুষোচিত ও নিন্দনীয়', বলে সরব হল তারা। এক্স হ্যান্ডেলে তারা আরও লেখে, 'সারা দেশে পুলিশ বাহিনী যেভাবে ছাত্র-বিক্ষোভকারীদের হেনস্থা করছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই।' এদিন ঐশী ঘোষের খোঁজে সিপিএমের সদর দফতরে যায় দিল্লি পুলিশ। তাঁকে দিল্লি পুলিশ হেফাজতে নিতে চায় বলে দাবি করে সিপিএম। সিপিএম সাংসদ জন ব্রিট্টাস সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে বলেন, "আজ দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা জাতীয় দল-সিপিআই(এম)-এর কার্যালয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন। তাঁরা ঐশী ঘোষকে হেফাজতে নিতে চেয়েছিলেন। তিনি যন্তর মন্তরে আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ। তাঁদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।" এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করে ককরোচ জনতা পার্টির তরফে আরও লেখা হয়, "আমরা সহজে দমে যাওয়ার পাত্র নই, এই হেনস্থা বন্ধ না হলে আমরা আবারও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে শামিল হতে বাধ্য হব। আমরা এখনও একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাস করছি এবং আপনারা আমাদের কাছ থেকে সেই অধিকার কেড়ে নিতে পারবেন না।" The attempt to harass and intimidate @aishe_ghosh is cowardly and reprehensible. We condemn in the strongest possible terms the attempts by Police forces across the country who are harassing student protesters. Cockroaches will not die, we will be forced to swarm again in… https://t.co/nRjQmxeD7V — Cockroach is Back (@Cockroachisback) July 28, 2026 এদিকে মঙ্গলবার এসএফআই (SFI) নেত্রী ঐশী ঘোষকে গ্রেফতারের উদ্দেশে নয়াদিল্লিতে সিপিমের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যালয়ে দিল্লি পুলিশের প্রবেশের প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করেছেন কেরল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পিনারাই বিজয়ন। তিনি এই পদক্ষেপকে "গণতন্ত্রের ওপর গুরুতর আঘাত" এবং সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। একটি ফেসবুক পোস্টে বিজয়ন অভিযোগ করেছেন যে, দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করেছে। বিজয়ন বলেছেন, আদালতের একটি পুরনো মামলার জেরে দলীয় কার্যালয় থেকে ঘোষকে গ্রেফতারের চেষ্টা "আইনের শাসনের প্রতি এক চ্যালেঞ্জ"-এর শামিল। বিরোধী দলীয় নেতা অভিযোগ করেছেন যে, যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভের ঘটনায় কেন্দ্র ও সংঘ পরিবার যে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল, তারই জের ধরে এই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।