Annapurna Yojana : 'যদি প্রয়োজন হয়...', অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর...
কলকাতা : অন্নপূর্ণা যোজনা ঘিরে রাজ্যজুড়ে আগ্রহ তুঙ্গে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা কবে টাকা পাবেন, সেদিকেই এখন নজর সকলের। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বার্তা দিয়েছেন। গত রবিবার তিনি বলেছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকছে। গেল গেল রব তোলার দরকার নেই।

কলকাতা : অন্নপূর্ণা যোজনা ঘিরে রাজ্যজুড়ে আগ্রহ তুঙ্গে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা কবে টাকা পাবেন, সেদিকেই এখন নজর সকলের। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বার্তা দিয়েছেন। গত রবিবার তিনি বলেছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকছে। গেল গেল রব তোলার দরকার নেই। সবাই পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "কাউকেই চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। ৫০০ টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতে গিয়ে ৯ মাস লাগিয়ে দিয়েছিল। ১ কোটি ২০ লক্ষ লোককে তো দেড়মাসে দিয়ে দিয়েছি। বাকি যারা যোগ্য, তাঁরা পাবেন। অযোগ্য থাকলে বেরিয়ে যাবেন। ভেরিফিকেশন ৩০ অগাস্ট অবধি চলবে। প্রত্যেকটা বিধানসভায় গড়ে ৩৫-৪০ হাজার মহিলারা পেয়েছেন। বাকি যদি প্রয়োজন হয় আরও ২ হাজার, ৫ হাজার, ৭ হাজার প্রকৃত প্রাপক থেকে থাকেন পাবেন।" সরকারি সূত্রের দাবি, প্রকল্পে কোনও অযোগ্য ব্যক্তি যাতে সুবিধা না পান, সেই লক্ষ্যেই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের নথি, পরিচয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাঁদের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হবে, তাঁরাই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। "একজনও প্রকৃত দিদি-বোন অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত হবেন না" বলে দিনকয়েক আগেই আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গত শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের সভায় তিনি বলেন, "আমাদের বাজেটে দেখবেন, আমাদের দিদি-মা-বোনদের, অন্নপূর্ণা যোজনা...আমরা ইতিমধ্যে ১ কোটি ২০ লক্ষ মা-বোন-দিদির অ্যাকাউন্টে দিয়েছি। এই প্রক্রিয়া ৩০ অগাস্ট অবধি চলবে। ভেরিফিকেশন হবে। প্রত্যেক যোগ্য প্রাপক পাবেন। অযোগ্যরা বাতিল হবেন। একজনও প্রকৃত দিদি-বোন অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত হবেন না। আপনারা শুনলে খুশি হবেন, এই জেলায় ১৫ লক্ষ দিদি এবং বোন আবেদন করেছিলেন। আমরা বর্ণ-ধর্ম-দলমত নির্বিশেষে ১২ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার করে টাকা পয়লা জুলাই দিয়েছি।" তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সাধারণ মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা। বিজেপি আমলে এই প্রকল্পের নাম বদলে হয়েছে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'। দ্বিগুণ হয়েছে টাকার অঙ্ক। গত ১ জুলাই নেতাজি ইন্ডোরের অনুষ্ঠান থেকে দুই ২৪ পরগনা কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি-র ৫ মহিলার হাতে প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দেন মখ্যমন্ত্রী। ছিলেন সহ অন্যান্য মন্ত্রী ও মুখ্যসচিব। তৃণমূল জমানায় মহিলাদের জন্য় চালু হওয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-এর টাকা কীভাবে পুরুষরা পেয়েছিলেন, তা এখন সামনে আসছে। সেই বিষয়টা নিয়েও সুর চড়িয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, "আপনি বলুন, আগের সরকার মহিলাদের জন্য় চালু করেছিলেন, ৫০০-৫০০-৫০০ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য় ছিল মহিলাদের অ্য়াকাউন্টে যাওয়ার। আপনি অবাক হয়ে যাবেন, এই ২ কোটির মধ্য়ে ১০ লক্ষ পুরুষ বেরিয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামের টাকা কি পুরুষের অ্য়াকাউন্টে যাওয়া উচিত ? তাই, ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রয়োজন ছিল।"