Bank of Baroda: বিশাল সাইবার হামলা এই ব্যাঙ্কে! ব্যাঙ্ক অব বরোদার গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ, আপনার অ্যাকাউন্ট কি সুরক্ষিত?
কলকাতা: ভারতের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক 'ব্যাঙ্ক অব বরোদা' (Bank of Baroda)-তে বড়সড় সাইবার হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। অভ্যন্তরীণ সিস্টেম থেকে প্রায় ১ টেরাবাইট (1TB) সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ, এমনটাই জানা গেছে। ইন্ডিয়া টুডে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অ

কলকাতা: ভারতের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক 'ব্যাঙ্ক অব বরোদা' (Bank of Baroda)-তে বড়সড় সাইবার হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। অভ্যন্তরীণ সিস্টেম থেকে প্রায় ১ টেরাবাইট (1TB) সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ, এমনটাই জানা গেছে। ইন্ডিয়া টুডে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই তথ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত ও কর্পোরেট ব্যাঙ্কিংয়ের বিবরণ, যেমন আধার নম্বর, নাম এবং ভারতজুড়ে বিভিন্ন শাখার ঋণের তথ্য। ব্যাঙ্ক অফ বরোদা তথ্য ফাঁসের সত্যতা নিয়ে অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করছে বলেই ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনও সত্যতা জানানোর খবর এখনও আসেনি। সম্প্রতি ডার্ক ওয়েব ট্র্যাকিং সাইটে ব্যাঙ্ক অব বরোদার অভ্যন্তরীণ ফাইলের বিশাল এক ডেটা ডাম্প নজরে আসে। দাবি করা হচ্ছে, সারাদেশের বিভিন্ন শাখার গ্রাহকদের আবেদনপত্র, কর্পোরেট ব্যাঙ্কিং রেকর্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞ শ্রীকান্ত লক্ষ্মণন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'X'-এ ফাঁস হওয়া নমুনার স্ক্রিনশট শেয়ার করে এটিকে একটি "সাইবার বিপর্যয়" বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রাথমিক ধারণামতে, 'TripleX' নামের একটি নতুন হ্যাকার গোষ্ঠী এই হামলার পেছনে থাকতে পারে। এই হ্যাকার গোষ্ঠী এর আগে পিটি ব্যাংক নেগারা ইন্দোনেশিয়ার সিস্টেমেও হানা দিয়েছিল বলে জানা যায়। যদিও ব্যাঙ্ক অফ বরোদার লগইন পাসওয়ার্ড বা ইউপিআই পিন সরাসরি ফাঁস হওয়ার প্রমাণ মেলেনি, তবুও এই তথ্য ব্যবহার করে প্রতারকরা ফিশিং কল বা স্প্যাম মেসেজের মাধ্যমে বড়সড় প্রতারণা চালাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে নিচের পদক্ষেপগুলো মেনে চলুন- ওটিপি (OTP) গোপন রাখুন: ব্যাঙ্ক থেকে বলছি দাবি করলেও কোনো অজানা ব্যক্তিকে ওটিপি, পাসওয়ার্ড বা সিভিভি (CVV) বলবেন না। সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক নয়: কেওয়াইসি (KYC) আপডেট বা অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়ার ভয় দেখিয়ে পাঠানো কোনো অচেনা লিঙ্কে প্রবেশ করবেন না। স্টেটমেন্ট নজরদারিতে রাখুন: আপনার অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়মিত পরীক্ষা করুন এবং যে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্কে জানান।