Bankura Waterlogged: কয়েকদিন আগে ভেঙেছিল একটা অংশ, এবার জলে ডুবেছে সেতু, সম্পূর্ণ বন্ধ যোগাযোগ ব্যবস্থা
পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া: নিম্নচাপের কারণে টানা বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টিতে গন্ধেশ্বরী নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে বিপজ্জনকভাবে। এর ফলে বাঁকুড়া ও উগড়াডিহির মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী মানকানালী সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করেছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি হওয়াও শুরু হয়। এর ফলে, নিরাপত্তার কারণে ওই সেতু দি

পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া: নিম্নচাপের কারণে টানা বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টিতে গন্ধেশ্বরী নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে বিপজ্জনকভাবে। এর ফলে বাঁকুড়া ও উগড়াডিহির মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী মানকানালী সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করেছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি হওয়াও শুরু হয়। এর ফলে, নিরাপত্তার কারণে ওই সেতু দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওই সেতু দিয়ে পারাপারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাঁকুড়া থেকে উগড়াডিহি যাওয়ার অন্যতম প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আরও পড়ুন: ওমানের সঙ্গে চুক্তি, এবার কি হরমুজের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে ইরানের হাতে? অবশ্য কয়েকদিন আগে ওই সেতুর একটি অংশ ধসে গিয়ে ভেঙে পড়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই সেতুতে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ ছিল। তবে, ঝুঁকি নিয়েই অনেকে মোটর সাইকেল নিয়ে ও পায়ে হেঁটে এই সেতু পারাপার করছিলেন। দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ সেতুর দু'প্রান্তে ব্যারিকেড বসিয়ে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টির জেরে গন্ধেশ্বরী নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রবল স্রোতে পুলিশের বসানো ব্যারিকেডও ভেসে যায়। এরপর নদীর জল আরও বাড়তে থাকায় পুরো সেতুই জলের তলায় চলে যায়। বর্তমানে সেতুর উপর দিয়ে তীব্র স্রোতে জল বইছে, ফলে সেখানে যাতায়াত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হয়েছে। আরও পড়ুন: ১৩ বছরে ১২ টি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, অনুপ্রেরণা হতে পারলেন না ইনি, নাম জড়াল ৪০ কোটির শিক্ষা দুর্নীতিতে! সেতু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঁকুড়া ও উগড়াডিহির মধ্যে যাতায়াতের জন্য এখন তাঁদের বিকল্প দীর্ঘপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি বাড়ছে যাতায়াতের খরচও। নিত্যযাত্রী, ছাত্রছাত্রী এবং জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও ব্যাপক দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে সেতুর কাছে না যাওয়ার এবং ঝুঁকি নিয়ে পারাপারের চেষ্টা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নদীর জলস্তর কমার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।