Baruipur Encounter: এনকাউন্টারে নিহত বারুইপুরকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত, আশার আলো দেখছে কামদুনি, হাঁসখালির নির্যাতিতার পরিবার, কী বলছেন তাঁরা ?
অর্ণব মুখোপাধ্যায়, সুজিত মণ্ডল ও সুকান্ত দাস, কলকাতা: এনকাউন্টারে নিহত বারুইপুরকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। আশার আলো দেখছে কামদুনি, হাঁসখালির নির্যাতিতার পরিবার। কামদুনি থেকে আর জি কর কাণ্ড। বারবার এরাজ্যে সাক্ষী থেকেছে নারী নির্যাতনের। সেই সব সমৃতি আরও একবার উস্কে দিয়েছে বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের

অর্ণব মুখোপাধ্যায়, সুজিত মণ্ডল ও সুকান্ত দাস, কলকাতা: এনকাউন্টারে নিহত বারুইপুরকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। আশার আলো দেখছে কামদুনি, হাঁসখালির নির্যাতিতার পরিবার। কামদুনি থেকে আর জি কর কাণ্ড। বারবার এরাজ্যে সাক্ষী থেকেছে নারী নির্যাতনের। সেই সব সমৃতি আরও একবার উস্কে দিয়েছে বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা।এবার এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে মূল অভিযুক্তের।এই পরিস্থিতিতে দিকে দিকে সুবিচারের দাবি উঠছে। [yt]https://youtu.be/Abpwx9Xi1BI?si=eUW2VcFXjPvmW5yV[/yt] আরও পড়ুন, বারুইপুরে এনকাউন্টারে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত নিহত সুবিচার চায় কামদুনি , কামদুনির নির্যাতিতার ভাই বলেন, বারুইপুরে যে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। কিন্তু এর জন্য় দায়ী যদি কেউ থাকে, সে হল মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। আমরা কেন ন্য়ায়বিচার পাইনি? কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ন্য়ায়বিচার দিতে পারেননি? ভোটব্য়াঙ্ক বাঁচানোর জন্য় তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বারুইপুরের পর বিচার চাইছে কামদুনি। কামদুনিকাণ্ডের প্রতিবাদী মৌসুমী কয়াল বলেন, আজ এই রাজ্য়ে প্রমাণ হয়ে গেল, ধর্ষকদের আমাদের রাজ্য়ে কোনও জায়গা নেই। অসুরবধ শুরু হয়ে গেছে। বিগত সরকার ধর্ষকদের পাশে ছিল। কামদুনিকাণ্ডের প্রতিবাদী টুম্পা কয়াল বলেন, এনকাউন্টার হয়েছে অত্য়ন্ত খুশি হয়েছি। কারণ, বিগত যে সরকার ছিল, সেই সরকার তো আমরা দেখেছি। যারা জঘন্য় থেকে জঘন্য়তম অপরাধ করেছে, তাদেরকে বাঁচানোর জন্য় মরিয়া হয়ে উঠেছিল। এই ঘটনার বছর খানেক আগে, ২০১২ সালের ৫ জুলাই উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান কলকাতার মিত্র ইনস্টিউটশনের শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। ১৪ বছর পরও বিচারের আশায় দিন গুনতে হচ্ছে সুটিয়ার প্রতিবাদীর পরিবারকে। নিহত বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায় বিশ্বাস বলেন, আমার ভাইকে গুলি করে মারা হয়েছে। আমার ভাইকে যেমন খুন করা হয়েছে, তাদের সেভাবেই গুলি করা হোক। ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল, নদিয়ার হাঁসখালির বুকে ঘটে যায় নক্ক্যারজনক ঘটনা।জন্মদিনের পার্টির নামে ডেকে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়। শুধু তাই নয়, নির্যাতিতার মৃত্যু হলে তড়িঘড়ি তাঁর দেহ সৎকারের অভিযোগও করে পরিবার। হাঁসখালির নির্যাতিতার মা বলেন, বর্তমানে যে মুখ্য়মন্ত্রী হয়েছে, তিনি আমাদের বাড়ি এসেছিল, আমি বলেছিলাম, আমার মেয়ের কোনও বিচার হয়নি। মুখ্য়মন্ত্রী বলেছিল, তোমার মেয়ের বিচার হবে। তিনি এখন মুখ্য়মন্ত্রী হয়েছে, মুখ্য়মন্ত্রীর কাছে আমার মেয়ের বিচার চাই, যেন আমার মেয়েকে যারা গণধর্ষণ করে মেরেছে, তাদের সকলের ফাঁসি চাই। সবাই কি বিচার পাবে? সব অপরাধীরা কি শাস্তি পাবে?