Baruipur Incident: বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে মোমবাতি মিছিল , মুখ খুললেন রাত দখলের অন্যতম উদ্যোক্তা রিমঝিম সিন্হা
কলকাতা: নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে বারুইপুরে ফের প্রতিবাদ। মোমবাতি নিয়ে পথে নামলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিশোরীর উপর নৃশংস অত্যাচার, বারুইপুর গেলেন রাত দখলের অন্যতম উদ্যোক্তা রিমঝিম সিন্হা। [yt]https://youtu.be/wQNzPZNtXMc?si=QLqn77D9c-SLEh5t[/yt] আরও পড়ুন, 'কাশ্মীরের জন্য জীবনের বলিদান দিয়

কলকাতা: নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে বারুইপুরে ফের প্রতিবাদ। মোমবাতি নিয়ে পথে নামলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিশোরীর উপর নৃশংস অত্যাচার, বারুইপুর গেলেন রাত দখলের অন্যতম উদ্যোক্তা রিমঝিম সিন্হা। [yt]https://youtu.be/wQNzPZNtXMc?si=QLqn77D9c-SLEh5t[/yt] আরও পড়ুন, 'কাশ্মীরের জন্য জীবনের বলিদান দিয়েছেন শ্যামাপ্রসাদ..', বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারুইপুর গেলেন রাত দখলের অন্যতম উদ্যোক্তা রিমঝিম সিন্হা, কী প্রতিক্রিয়া ? এদিন তিনি বলেন,' কেন সার্চ পার্টি ফর্মড করতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে, যখন কিনা, এতটা সিরিয়াস ঘটনায়, পুলিশ সেখানে রাস্তায় নেমে এই সার্চ অপারেশন তৈরি করেনি। এই বিষয় যদি মানুষকে, সচেতনভাবে নামতে হয়, সার্চ পার্টি করতে হয়, তাহলে মব ভায়োলেন্সকে আটকানোর মত পরিস্থিতি তৈরি হওয়া সম্ভব নয়। এটা যদি পুলিশ তৎপরভাবে, এই সিচ্যুয়েশনকে দেখত, তাহলে হয়তো গণ পিটুনির মতো একটা মব ভায়োলেন্সের একটি সিচ্যুয়েশনকে, ঠিক মতন করে আটকানো যেত। পুলিশের এই গাফিলতি অত্যন্ত দুঃখজনক। থানা নিজের গাফিলতিগুলিকে কোথায় শোধরানোর চেষ্টা করেছে, এবং কীভাবে এই কেসটিকে ফেয়ার এবং জাস্ট ইনভেস্টিগেশন দিয়ে আগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আশা করছি, তারা একটি কড়া চার্জশিট বানাবেন, যাতে এই কেসের যেভাবেই শাস্তি হোক না কেন, সেটি একটি এক্সজাম্পেল হয়ে থাকুক। এবং বারুইপুর এলাকায় যে মহিলারা থাকেন, তাঁদের বারবার এইটা নিয়ে ভীত না থাকতে হয়, যে দিনের বেলা সাড়ে ৪টের সময় বের হলে, যে ধরনের পোস্ট মর্টেমের রিপোর্ট বাইরে এসেছে, আজকে কিছু ঘণ্টা আগে এই কেসে, সেই ধরণের কোনও বিষয় আমাদের সঙ্গে ঘটবে না।' মূলত, বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। যদিও সব পক্ষের ভূমিকাই খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিচ্ছে সরকারপক্ষ। বারুইপুরের বাসিন্দা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়েছে। কোনও সহযোগিতা করেনি। নিহত নাবালিকার দাদু বলেন, আগের দিন বিকেলে যে খবর দেওয়া হয়েছে থানায়, যদি তখনও পুলিশ আসত, বাচ্চাকে হয়তো জীবন্ত পাওয়া যেত।বারুইপুরের বাসিন্দা বলেন, যে সমস্ত পুলিশ এই সমস্ত কাজ করেছে, আমরা চাই ওঁকে যেন সাসপেন্ড করে দেয়। সামনে ছিল অনেক স্বপ্ন। কিন্তু, মাত্র ক্লাস সিক্সেই শেষ হয়ে গেল সবকিছু। একটা ছোট্ট মেয়ের নৃশংস পরিণতি।প্রতিবাদে রবিবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনীকে রাস্তায় নামতে দেখা যায়।