Bengal vs Delhi: কল্যাণীতে রঞ্জি ম্যাচে উৎকণ্ঠা, বুকে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক
সন্দীপ সরকার: তিনি ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। চার বছর আগে তাঁর নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সেই যশ ধূলকে নিয়ে মঙ্গলবার উদ্বেগ তৈরি হল কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে। ব্যাটিং করতে করতে এমন এক ঘটনা ঘটল যে, মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হ

সন্দীপ সরকার: তিনি ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। চার বছর আগে তাঁর নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সেই যশ ধূলকে নিয়ে মঙ্গলবার উদ্বেগ তৈরি হল কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে। ব্যাটিং করতে করতে এমন এক ঘটনা ঘটল যে, মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হল যশ ধূলকে। কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে মঙ্গলবার বাংলার বিরুদ্ধে তখন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে দিল্লি। প্রথম ইনিংসে ১৮৯ রানের লিড হজম করার পর। দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল কিছু করার জন্য দিল্লি তাকিয়েছিল যশ ধূলের দিকে। দিল্লি ইনিংসের অষ্টম ওভারে স্বার্থক রঞ্জন ফিরতেই ক্রিজে নামেন যশ। তিন নম্বরে। ওভারের চতুর্থ বলে স্বার্থককে বোল্ড করে দেন আকাশ। উইকেট পেয়ে বাংলার ডানহাতি পেসার তখন ফুটছেন। আরও পড়ুন: 'রোজ রাতে কেঁদেছি, বাবা-মায়ের জন্য কষ্ট হতো', জেল থেকে বেরিয়ে সেঞ্চুরির স্বস্তি অভিষেকের সেই ওভারেরই পঞ্চম বল। যশের খেলা প্রথম বল। শর্ট অফ গুড লেংথে পরে আকাশের বলটি আচমকা লাফিয়ে ওঠে। আকাশের হাত থেকে বেরনো বলটির গতিও ছিল বেশ ভাল। সেই বল যশ ধূলের বুকে আছড়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে শুয়ে পড়েন ধূল। বোলার আকাশ দীপও ছুটে যান। বাংলার অন্য ক্রিকেটারেরাও দৌড়ে আসেন। দিল্লি দলের ফিজিও মাঠে নেমে যশ ধূলের বুকের চোট পরীক্ষা করেন। তবে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন যশ। তিনি আর ব্যাটিং করতে পারেননি। মাঠ ছেড়ে উঠে যান। তাঁর পরিবর্তে ব্যাট করতে নামেন আয়ূষ দোসেজা। দিল্লি শিবিরে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, বিকেলে যশকে স্ক্যান করাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ব্যথা সামান্য কমেছে। তাই স্ক্যান করানো হয়নি। দিনের খেলার শেষে নেটে নকিং করতেও দেখা যায় যশকে। ম্যাচে দিল্লি বেশ চাপে। তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে দিল্লির স্কোর ৪৫ ওভারে ১০১/৩। বাংলা এখনও এগিয়ে ৮৮ রানে। বুধবার ম্যাচের শেষ দিন। সরাসরি জয়ের জন্য ঝাঁপাতে হলে দিল্লিকে দ্রুত অল আউট করতে হবে। যদি ৮৮ রানের আগে থামানো যায়, তাহলে বোনাস-সহ ৭ পয়েন্ট ঘরে আসতে পারে। আর বাংলাকে রুখতে গেলে যশের ব্যাটিং প্রয়োজন পড়বে দিল্লির। আপাতত তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে তোলার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন: নিষ্প্রাণ পিচে দিল্লিকে অল আউট করার চ্যালেঞ্জ বাংলার বোলারদের, শেষ দিনে থ্রিলার?