Bengal vs Maharashtra: পৃথ্বী-বাওনেদের রুখতে ভরসা শামির নেতৃত্বে পেস ত্রিফলা, ইডেনের পিচ নিয়ে জোর চর্চা
সন্দীপ সরকার, কলকাতা: নভেম্বর পড়ে গিয়েছে। কিন্তু পরপর নিম্নচাপ, ঘূর্ণাবর্ত, ও প্রতিবেশী রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ের জেরে শীত অনুভূত হচ্ছে না শহর কলকাতায়। বরং সোমবার সকালে ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) দাঁড়িয়ে ঝলমলে রোদে বেশ গরম মালুম হচ্ছিল। ক্যালেন্ডার যাই বলুক না কেন, আবহাওয়া দেখে বোঝাই যাচ্ছে না য

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: নভেম্বর পড়ে গিয়েছে। কিন্তু পরপর নিম্নচাপ, ঘূর্ণাবর্ত, ও প্রতিবেশী রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ের জেরে শীত অনুভূত হচ্ছে না শহর কলকাতায়। বরং সোমবার সকালে ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) দাঁড়িয়ে ঝলমলে রোদে বেশ গরম মালুম হচ্ছিল। ক্যালেন্ডার যাই বলুক না কেন, আবহাওয়া দেখে বোঝাই যাচ্ছে না যে, এটা গ্রীষ্ম, নাকি শীতের শুরু! একইরকম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে ইডেন গার্ডেন্সের পিচ নিয়ে। সোমবার যে পিচ দেখা গেল, তাতে সবুজ আভা নেই। যেটুকু ঘাসের আস্তরণ রয়েছে, তা বাদামি রংয়ের। বাংলা দলে রয়েছেন মহম্মদ শামির মতো তারকা ফাস্টবোলার। মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা না থাকলেও, হাতে রয়েছে ভরসা করার মতো আরও কয়েকজন জোরে বোলার। শক্তিশালী পেস আক্রমণ বিভাগ থাকা সত্ত্বেও কি ফের 'পাটা' উইকেটে পৃথ্বী শয়ের মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে হবে বাংলাকে? পিচ কেমন দেখলেন? মহারাষ্ট্রের বোলিং কোচ সামাদ ফালা বললেন, 'উইকেট এখানে সব সময়ই ভাল হয়। দেখে মনে হল স্পোর্টিং পিচ। ভাল বাউন্স থাকবে। গতি থাকবে বলে মনে হচ্ছে। যারা ভাল বল করবে, তাদেরই অ্যাডভ্যান্টেজ।' বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লও উইকেট নিয়ে খুব একটা উদ্বেগ দেখালেন না। বললেন, 'উইকেট নিয়ে খুব বেশি ভাবার মানুষ আমি নই। পিচ ভাল। স্পোর্টিং উইকেট। ব্যাটার, বোলার সকলের জন্যই সাহায্য থাকবে। আর এখন বোর্ডের নিরপেক্ষ কিউরেটর থাকেন বলে ওইভাবে বলে বলে পছন্দের পিচ তৈরি করা যায় না।' সিএবির প্রধান কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় বললেন, 'উইকেট হার্ড। বল ভালভাবে যাবে। গতি ও বাউন্স থাকবে।' যদিও বাংলা শিবিরে একটা বিরক্তির চোরাস্রোতও টের পাওয়া গেল। মহম্মদ শামি দিল্লির বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে কল্যাণীর পিচ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। বলেছিলেন, হোম অ্যাডভান্টেজ পাচ্ছে না বাংলা। তিনি সবুজ পিচ চেয়ে ক্লান্ত বলেও বোমা ফাটিয়েছিলেন। তারপরেও ছবি খুব একটা বদলাল না। শোনা গেল শামি রবিবার ঘনিষ্ঠমহলে বলেছেন যে, এই পিচ পরের দিকে ব্যাটিং সহায়ক হয়ে পড়তে পারে। শিশির খুব বেশি পড়ছে না। ফলে পেসারদের লালায়িত হওয়ার মতো স্যাঁতস্যাঁতে ভাবও থাকবে না। ঘেরা মাঠ ইডেনে হাওয়া না চললে সকালের এক ঘণ্টা বাদ দিয়ে স্যুইংও কতটা হবে প্রশ্ন থাকছে। পৃথ্বী শ-অঙ্কিত বাওনেদের মহারাষ্ট্রকে রুখতে তিন পেসার-দুই স্পিনার কম্বিনেশনে নামবে বাংলা। আগের ম্যাচ খেলা অফস্পিনার আমির গনি সম্ভবত বসছেন। দুই স্পিনার হিসাবে খেলতে পারেন শাহবাজ আমেদ ও প্রদীপ্ত প্রামাণিক। তিন পেসার সম্ভবত শামি, তাঁর ভাই মহম্মদ কাইফ ও সূরয সিন্ধু জয়সওয়াল। তবে কাইফ আগের ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন। তাঁর পরিবর্তে গীত পুরি বা সৌম্যদীপ মণ্ডলের মতো কাউকে খেলানো যায় কি না, ক্ষীণ হলেও সেই আলোচনাও চলছে। বাকি দল একই থাকছে। টানা তিন ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে বাংলা। মহারাষ্ট্র দুইয়ে। এই ম্যাচ ফার্স্ট ও সেকেন্ড বয়ের লড়াই। শেষ হাসি কাদের জন্য তোলা থাকবে? আরও পড়ুন: কলকাতায় দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রস্তুতি শিবিরে সৌরভের তত্ত্বাবধানে অনুশীলন সমীর-আশুতোষদের [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]