Birbhum Money Gold Recovered: ডাকাত দলই পাইয়ে দিল বীরভূমের মিনারের বাড়ির সাড়ে ২৮ কোটি নগদ, ১৫ কেজি সোনার বাট-বিস্কুট
ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, পার্থপ্রতিম ঘোষ, বীরভূম : ডাকাত ধরে বীরভূমে টাকার পাহাড়ের হদিশ ! কীভাবে পাথর ব্য়বসায়ীর বাড়িতে টাকা-সোনার খোঁজ ? বুধবার সন্ধেয় সিউড়ি ও মহম্মদবাজারে মাঝে একটি গাড়ি আটকায় পুলিশ। গাড়ির আরোহীদের কাছে অস্ত্র দেখেই পাকড়াও করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করতেই জানা যায় তারা ডাকাত দল। মিনার

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, পার্থপ্রতিম ঘোষ, বীরভূম : ডাকাত ধরে বীরভূমে টাকার পাহাড়ের হদিশ ! কীভাবে পাথর ব্য়বসায়ীর বাড়িতে টাকা-সোনার খোঁজ ? বুধবার সন্ধেয় সিউড়ি ও মহম্মদবাজারে মাঝে একটি গাড়ি আটকায় পুলিশ। গাড়ির আরোহীদের কাছে অস্ত্র দেখেই পাকড়াও করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করতেই জানা যায় তারা ডাকাত দল। মিনার মণ্ডলের বাড়িতে প্রচুর টাকা-সোনা আছে বলে খবর পেয়ে ডাকাতির ছক কষেছে। এই তথ্য পেয়েই মিনার মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় মহম্মদ বাজার থানার পুলিশ। এরপর দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢুকতেই চক্ষু চড়কগাছ। দু'টি আলমারিতে সাজানো থরে থরে টাকার বাণ্ডিল। সঙ্গে সোনার বাট, বিস্কুট। সাড়ে ২৮ কোটি টাকা নগদ, ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে। টুলুর ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন মিনার, এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রে। 'ডেথ আর বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া সবই দিয়ে দিয়েছি', ED- র ৮ ঘণ্টা জেরার পর বললেন মদন মিত্র পশ্চিমবঙ্গের বুকে ফের উদ্ধার কোটি কোটি টাকা। প্রায় ২৯ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে প্রচুর সোনা। এবার ঘটনাস্থল বীরভূম। যাঁর বাড়ি থেকে এই যকের ধন উদ্ধার হয়েছে, সেই মিনার মণ্ডল, আগে সরকারি বাস চালাতেন। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই মিনার মণ্ডল, বীরভূমের পাথর ব্য়বসায়ী টুলু মণ্ডলের আত্মীয়। আর এই বিপুল টাকাও টুলু মণ্ডলের সিন্ডিকেটের টাকা বলেই জানাচ্ছে পুলিশ। ব্যাগে কোটি কোটি টাকা, টাকার সঙ্গে সোনার পাহাড়। এবার বীরভূমের মহম্মদবাজারে পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়র বাড়িতে মিলল যকের ধন। চারটি আলমারিতে টাকা ভর্তি ব্যাগ। ঘরের দেওয়ালের চোরা কুঠুরিতে থরে থরে লুকিয়ে রাখা টাকার বাণ্ডিল। কেজি কেজি সোনার বাট, সোনার বিস্কুট। আক্ষরিক অর্থেই কোটি কোটি টাকা, কেজি কেজি সোনা। বুধবার ভোরে আলো তখন সবে ফুটেছে। মহম্মদবাজার থানার পুলিশের কনভয় এসে দাঁড়াল দেউচা বাসস্ট্যান্ডের কাছে। ঘিরে ফেলা হয় রাস্তার পাশের একটি বাড়ি। গাড়ি থেকে নামানো হয় বিশাল বিশাল ট্রাঙ্ক। ট্রাঙ্ক আনা হয় টোটো এবং মোটরবাইকে করেও। আনা হয় একাধিক টাকা গোনার মেশিন। প্রথমে দরজা খুলতে চাননি বাড়ির মালিক মিনার মণ্ডল। পুলিশ সূত্রে খবর, দরজা ভেঙে আটক করা হয় মিনার মণ্ডল ও তাঁর ছেলেকে। ব্যাঙ্কের কর্মীদের এনে শুরু হয় টাকা গোনার কাজ। পুলিশ সূত্রে খবর, বাড়ির মালিক মিনার মণ্ডল পেশায় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীর বাড়িতে কোটি কোটি টাকা ও কেজি কেজি সোনা এল কী করে? পুলিশের অনুমান, এই টাকা ও সোনা আসলে জেলার পাথর খাদান থেকে আদায় হওয়া রাজস্ব। মিনার মণ্ডলের আত্মীয় প্রভাবশালী পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের ওপর দায়িত্ব ছিল ওই রাজস্ব আদায়ের। অভিযোগ, সরকারের খাতায় কম আয় দেখিয়ে, কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তা আত্মীয়ের বাড়িতে গচ্ছিত করেন টুলু।