Birbhum News: চোরা কুঠুরিতে থরে থরে লুকিয়ে রাখা টাকার বান্ডিল, আরও টাকা-সোনার জন্য বীরভূমে পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয় ও ছেলেকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ
ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, মহম্মদবাজার, বীরভূম: ঘরের দেওয়ারের মধ্যে চোরা কুঠুরি। আর সেই চোরা কুঠুরিতে থরে থরে লুকিয়ে রাখা টাকার বান্ডিল। এ কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়। এ দৃশ্য বাস্তবের। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমে (Birbhum)। সিআইডি ও মহম্মদবাজার পুলিশ একসঙ্গে তল্লাশি চালায় বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়ের বাড়িতে। যেখা

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, মহম্মদবাজার, বীরভূম: ঘরের দেওয়ারের মধ্যে চোরা কুঠুরি। আর সেই চোরা কুঠুরিতে থরে থরে লুকিয়ে রাখা টাকার বান্ডিল। এ কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়। এ দৃশ্য বাস্তবের। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমে (Birbhum)। সিআইডি ও মহম্মদবাজার পুলিশ একসঙ্গে তল্লাশি চালায় বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়ের বাড়িতে। যেখানে মিলেছে যকের ধন! টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে টাকা-সোনার 'মিনার'! পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয়ের বাড়িতে কেজি কেজি সোনা, বান্ডিল বান্ডিল নোট। আরও টাকা ও সোনার হদিশ পাওয়ার জন্য মিনার ও তাঁর ছেলেকে আটক করে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ। মিনার মণ্ডলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে পুলিশ। এরপর দেখা যায় ২টি আলমারি ভর্তি টাকা। প্রচুর ব্যগ পাওয়া গিয়েছে। টুলু মণ্ডলের আত্মীয়ের বাড়িতে এখনও পর্যন্ত ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে। পাথর ব্যবসায়ীর আত্মীয় মিনার এক সরকারি বাস চালক ছিলেন। পরে সেচ্ছাবসর নেন। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিতে পাওয়া গিয়েছে থরে থরে বান্ডিল সাজানো। তা থেকে উদ্ধার ২০ কোটি টাকা! রাত ৩টে থেকে মহম্মদবাজারে টুলু ঘনিষ্ঠের বাড়িতে তল্লাশি। পাথর ব্যবসায়ীর বাড়িতে মহম্মদবাজার পুলিশের ম্যারাথন তল্লাশি। সেখানে টাকা গুনতে আনা হয় কাউন্টিং মেশিন এবং একের পর এক ট্রাঙ্ক। এখনও পর্যন্ত ২০ কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, আরও বাড়তে পারে টাকার অঙ্ক। শিবলাল সরেন নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা মিনার মণ্ডলের বাড়িতে কোটি কোটি টাকা ও সোনা উদ্ধার হওয়া প্রসঙ্গে বলেন, 'উনি তো সাধারণ একটা সরকারি কর্মচারী ছিলেন। সাধারণ একটা কর্মচারী হিসেবে এতগুলো টাকা ওঁর কাছে থাকা অসম্ভব। এই টাকাটা ওঁর নয়। আমরা পুরোপুরি দেউচা এলাকার বাসিন্দারা কনফার্ম করতে পারি, এই টাকাগুলো ওঁর নয়।এই টাকাগুলো অন্যজনের। আমরা সবাই অনুমান করছি যে, পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের টাকা।' মহম্মদবাজারের দেউচা বাসস্ট্য়ান্ড এলাকায় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যে ১৫ কেজি সোনা পাওয়া গিয়েছে, তার বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি টাকা। পাথর পাচার মামলায় আগেই স্ক্যানারে, এখনও খোঁজ নেই টুলু মণ্ডলের। এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীর বাড়িতে কীভাবে সোনা-টাকার পাহাড়? উল্লেখ্য, টুলু মণ্ডলের একটি টোল গেটের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন মিনার মণ্ডল। শুধু মিনারের বাড়িতেই নয়, অন্য জায়গায় আরও সোনা-টাকা মজুত, এমনই সন্দেহ পুলিশের।