Birbhum News: দুষ্কৃতীদের নিশানায় 'বিস্ফোরক' ব্যবসায়ী, বীরভূমে চলল গুলি, জখম ৩, যুক্ত কারা জানতে তদন্তে পুলিশ
ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বীরভূম : রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করছে পুলিশ, এনআইএ, বেঙ্গল এসটিএফ। সেই আবহেই এবার দুষ্কৃতীদের নিশানা হলেন এক লাইসেন্সপ্রাপ্ত 'বিস্ফোরক' ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল বীরভূম জেলা। বিগত কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে রয়েছে বীরভূম। পাথর ব্যবসায়ী তুলু মণ্ডলের সুবিশাল স

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বীরভূম : রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করছে পুলিশ, এনআইএ, বেঙ্গল এসটিএফ। সেই আবহেই এবার দুষ্কৃতীদের নিশানা হলেন এক লাইসেন্সপ্রাপ্ত 'বিস্ফোরক' ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল বীরভূম জেলা। বিগত কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে রয়েছে বীরভূম। পাথর ব্যবসায়ী তুলু মণ্ডলের সুবিশাল সম্পত্তির অনেকটাই উদ্ধার হয়েছে বীরভূম থেকে। বাজার মূল্যের নিরিখে ২০০ কোটি টাকার বেশি নগদ, সোনা ও অন্যান্য অনেক কিছুই উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বীরভূম। গুলি করা হয়েছে এক ব্যবসায়ীকে। ওই ব্যবসায়ী-সহ মোট ৩ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। নলহাটি থানার উদয়নগর গ্রামে রবিবার রাত ১০টা নাগাদ বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী 'বিস্ফোরক' ব্যবসায়ী বিকি শেখকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এই ঘটনায় বিকি-সহ ৩ জন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। তিনজনের মধ্যে দু'জনের গায়ে গুলি লাগে বলে খবর। পুলিশ জানিয়েছে, বিকি এবং একজনকে দূর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ২ অগস্ট রাত দশটা নাগাদ দু'টি বাইকে করে মুখ ঢেকে এসেছিল ৪ জন দুষ্কৃতী। তারা এসে বিকিকে লক্ষ্য করে প্রায় ১২ রাউন্ড গুলি চালায় বলে খবর পুলিশ সূত্রে। গুলিতে জখম হন আলম ওরফে বিকি ওরফে শাহী আলম, আব্দুল রজ্জাক ওরফে জনি এবং হাবিবুল হোসেন - এই তিনজন। উত্তরে প্রবল দুর্যোগ, অতিরিক্ত ভারী বৃষ্টির জন্য জারি লাল-কমলা-হলুদ সতর্কতা, কোন কোন জেলায় প্রভাব সবচেয়ে বেশি ? গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে শাহী আলম ও আব্দুল রজ্জাককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, শাহী আলমের শরীরে ৩টি এবং জনির শরীরে ৫টি গুলি লেগেছে। জনির অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে হাবিবুল হোসেন রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুলি চালিয়েই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা সম্ভবত ঝাড়খণ্ডের দিকে পালিয়ে গিয়েছে। এই গুলি চলার ঘটনার পরই গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে নলহাটি থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। কে বা কারা এর পিছনে যুক্ত, কেন ওই ব্যবসায়ীর উপর গুলি চালানো হল - সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, শাহী আলম ওরফে বিকি বিস্ফোরকের লাইসেন্স প্রাপ্ত বিক্রেতা। তাঁর বাবার অভিযোগ, সম্প্রতি এনআইএ পুলিশ প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। যারা বেআইনি ভাবে বিস্ফোরক বিক্রি করে তাদের সন্দেহ বিকি পুলিশকে খবর দিয়েছে।