BJP MLA : 'যারা আমাকে জেল খাটিয়েছে...', বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
বাঁকুড়া : 'যারা আমাকে জেল খাটিয়েছে তাদের সঙ্গে বসে চা খেতে রাজি নই।' বৈঠকে যোগ দিতে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। বাঁকুড়ার সংখ্যালঘু ভবনে অর্থ কমিশনের পরিকল্পনা সংক্রান্ত বৈঠক ডাকে জেলা প্রশাসন। সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন জেলার ১২ জন বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি। বৈঠক ছেড়ে

বাঁকুড়া : 'যারা আমাকে জেল খাটিয়েছে তাদের সঙ্গে বসে চা খেতে রাজি নই।' বৈঠকে যোগ দিতে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। বাঁকুড়ার সংখ্যালঘু ভবনে অর্থ কমিশনের পরিকল্পনা সংক্রান্ত বৈঠক ডাকে জেলা প্রশাসন। সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন জেলার ১২ জন বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি। বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক। এ প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক বলেন, "দু'দিন আগেও এখানে আমাদের কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে বসে আমি চা খাওয়ার মতো ছেলে নই। তার কারণ, আমি ৪০ বছর বিজেপিটা করি। জন্মলগ্ন থেকেই বিজেপিটা করি। বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে আমি বিজেপিটা করি। তাঁদের সঙ্গে মুখোমুখি বসে আমি অন্তত কাজ করব না। আমাদের নেতৃত্বের নিশ্চিত ব্যাপার আছে। সেগুলো সব করবেন। তাঁদের আমি সম্মান করি। তাঁদের নির্দেশে আমি চলছি। কিন্তু, আমার নিজস্ব একটা বিষয় থাকে। যে বিষয়টা আমাকে ভাবতে হয়। দলকে আমি কখনোই অমান্য করি না। আমার যারা নেতৃত্ব আছে, তাঁদের প্রত্যেককে আমি শ্রদ্ধা করি। সেই শ্রদ্ধা নিয়েই আমি কাজ করছি।" এ প্রসঙ্গে বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও তৃণমূল নেত্রী অনসূয়া রায় বলেন, "মিটিং থেকে বেরিয়ে গেছেন কোনও এমএলএ... আমার দেখা নেই। বাইরে থেকে যদি চলে গেছে সেটা আমার জানা নেই। আমার জেনারেল যারা মেম্বার ছিলেন বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কোনও মেম্বার ওঁকে মেরেছেন কি না বা কিছু করেছেন কি না সে সম্বন্ধে আমার জানা নেই। আমি যেটুকু জানি, ওঁকে আমি ফোনে ডেকেছি। সামনা-সামনি এখনও দেখিনি। আমার সঙ্গেও যে ওঁর কোনও ব্যক্তিগত আক্রমণ আছে, শত্ুরতা আছে বা কোনও কিছু আছে, আমি এখনও ওঁর সামনা-সামনি হইনি। ওঁর নিয়ে সে ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না, উনি কেন ঢোকেননি।" প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগে বেদখল হয়ে যাওয়া জমি দখলমুক্ত করতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি বিধায়ককে। বহুদিন ধরেই স্কুলের জমি ছিল অন্যের দখলে। স্কুলের বরাদ্দের জমি দখল করে উঠে যাচ্ছিল আবাসন। প্রোমোটার রাজের সামনে মুখ খুলতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। ক্রমেই ছোট হচ্ছিল স্কুলের এলাকা। অবশেষে বেদখল হয়ে যাওয়া জমি দখলমুক্ত হয় বিজেপি বিধায়কের উদ্যোগে। বহুদিনের জবরদখল মুক্ত করতে অবশেষে স্কুলের জমিতে চলে বুলডোজার। বাঁকুড়া মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের ক্যাম্পাসের একাংশ দখলমুক্ত করতে উদ্যোগী হন স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা।