Fire News : ভিড়েঠাসা পানশালায় বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে-শ্বাস আটকে মৃত্যু ২৭ জনের, গুরুতর জখম বহু
ব্যাঙ্কক : পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু ঘটল। সোমবার গভীর রাতে উত্তর ব্যাঙ্ককের না লাডপ্রাও (Na Ladprao) নামের একটি পাবে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে আরও ৬৩ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্ককের গভর্নর। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)-এর প্

ব্যাঙ্কক : পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু ঘটল। সোমবার গভীর রাতে উত্তর ব্যাঙ্ককের না লাডপ্রাও (Na Ladprao) নামের একটি পাবে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে আরও ৬৩ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্ককের গভর্নর। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যরাতের কিছু পরেই ব্যাঙ্ককের একটি পানশালায় আগুন লাগে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন গোটা পানশালায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় পুরো ভবন। ফলে বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে দমকল ও উদ্ধারকারী দল। ' প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তোলা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাবের প্রবেশপথ দিয়ে লেলিহান শিখা বেরিয়ে আসছে। আতঙ্কিত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল (Anutin Charnvirakul) জানান, আগুন লাগার কিছুক্ষণ আগে মঞ্চের কাছে থাকা একটি সার্কিট ব্রেকার থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন এক সঙ্গীতশিল্পী। এরপর হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং দ্রুত ধোঁয়া ও আগুন পুরো পানশালায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মৃতদের অনেকের দেহ ওই পাবের পিছনের দিকের শৌচাগারের কাছে পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে গিয়ে তাঁরা ওই দিকে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আগুন নেভানোর পর প্রকাশ্যে আসা ছবিতে দেখা যায়, পানশালার ভিতরের অংশ প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে। আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়েছে, দেওয়াল কালো হয়ে গিয়েছে এবং ভবনের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে থাই প্রশাসন।