NEET 2026 : আরও লম্বা সময় জেলে, বিরাট ফাইন ! প্রশ্নফাঁসে 'জিরো টলারেন্স' কেন্দ্রের, আজই বৈঠকে মন্ত্রিসভা?
NEET প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের আবহে ভিডিও বার্তায় কড়া অবস্থানের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, "পেপার লিক কোনও সাধারণ বিষয় নয়।" লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যতের সঙ্গে এই বিষয়টি জড়িত বলেই সরকার এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। প্রধানমন্ত্রী

NEET প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের আবহে ভিডিও বার্তায় কড়া অবস্থানের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, "পেপার লিক কোনও সাধারণ বিষয় নয়।" লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যতের সঙ্গে এই বিষয়টি জড়িত বলেই সরকার এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁসের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অপরাধীদের আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে একটি সংশোধনী বিলের খসড়াও তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, "যাঁরা যুব সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চায়, তাঁদের কাউকেই ছাড়া হবে না।" মোদি আরও জানান, পেপার লিক ইস্যুতে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে এবং শুক্রবারের বৈঠকেও এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সোমবার সংসদে সংশোধনী বিল পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি সংসদ অধিবেশনেই বিলটি দ্রুত পাশ করাতে সরকার উদ্যোগী বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িত বহু অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়ে জেলবন্দি। তবে সরকার এখানেই থেমে থাকবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রশ্নফাঁস রুখতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতেই এই নতুন আইন আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। NDTV সূত্রের খবর, পেপার লিক রুখতে আরও কড়া আইন আনতে চলেছে কেন্দ্র। NEET প্রশ্নফাঁসকে ঘিরে দেশজুড়ে ছাত্র বিক্ষোভের মধ্যেই Public Examinations (Prevention of Unfair Means) Act, 2024-এ সংশোধনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সূত্রের খবর, শুক্রবারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সংশোধনী প্রস্তাবে অনুমোদন মিলতে পারে। প্রস্তাবিত সংশোধনের মধ্যে রয়েছে— প্রশ্নফাঁস মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের বিধান। প্রশ্নফাঁসে দোষীদের কারাদণ্ডের মেয়াদ ও আর্থিক জরিমানা আরও বাড়ানো। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সোমবার লোকসভায় সংশোধনী বিল পেশ করা হতে পারে। বর্তমান আইনে প্রশ্নফাঁসে দোষী সাব্যস্ত হলে ৩ থেকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। কোনও পরিষেবা প্রদানকারী সম্ভাব্য অপরাধের তথ্য গোপন করলে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। সংগঠিত চক্রের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রশ্নফাঁস লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি জানান, ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর দ্রুত বিলটি সংসদে পাশ করানোর চেষ্টা করা হবে। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর দাবি, গত ১০ বছরে ১৫০টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, অথচ একজনও দোষী সাব্যস্ত হননি। একই সঙ্গে তিনি আবারও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।