BJP News: তৃণমূলের হাত থেকে ডোমজুড়ের মাকড়দহ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বিজেপি
সুনীল হালদার, হাওড়া: রাজ্যে কয়েক মাস আগেই পালাবদল ঘটেছে। এবার পালাবদলের হাওয়া পঞ্চায়েতেও। ডোমজুড়ের মাকড়দহ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিল বিজেপি। মঙ্গলবার দুপুরে ভোটাভুটিতে নতুন বিজেপি প্রধান হিসাবে ইন্দ্রজিৎ মুখোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করা হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীরা আবির খেলায় মেত

সুনীল হালদার, হাওড়া: রাজ্যে কয়েক মাস আগেই পালাবদল ঘটেছে। এবার পালাবদলের হাওয়া পঞ্চায়েতেও। ডোমজুড়ের মাকড়দহ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিল বিজেপি। মঙ্গলবার দুপুরে ভোটাভুটিতে নতুন বিজেপি প্রধান হিসাবে ইন্দ্রজিৎ মুখোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করা হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীরা আবির খেলায় মেতে ওঠেন। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ডোমজুড়ের তৃণমূল পরিচালিত মাকড়দহ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজকর্ম শিকেয় ওঠে। অভিযোগ তৃণমূল প্রধান এবং উপপ্রধান নিয়মিত পঞ্চায়েত অফিসে আসতেন না। বৈঠকে অনুপস্থিত থাকতেন। ওই পঞ্চায়েতে মোট ২২ জন সদস্যদের মধ্যে ১৮ জন তৃণমূলের, ২ জন নির্দল, ১ জন সিপিএম এবং ১ জন বিজেপির সদস্য ছিল। আজ তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। বিজেপির এক সদস্য, ১ জন নির্দল সদস্য, ৬ জন তৃণমূল সদস্য মোট ৮ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন:- মহিলাদের অনুমতি ছাড়া শুরুই হয় না পুজো, বহরমপুরের সেন বাড়ির দুর্গোৎসবে আজও অটুট প্রাচীন ঐতিহ্য ১২ জন তৃণমূল সদস্য ছাড়াও সিপিএমের ১ সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই বিজেপি সদস্য ইন্দ্রজিৎ মুখোপাধ্যায়কে প্রধান হিসাবে নির্বাচিত করেন। এই ভোটাভুটি নিয়ে ওই পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়। বিরাট পুলিশ বাহিনী ছাড়াও রাফ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত কোন গন্ডগোল হয়নি। এদিন প্রধান ইন্দ্রজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন তৃণমূলের বোর্ড মাকড়দহে কোন উন্নয়নের কাজ করেনি। এখান থেকে শুধুমাত্র রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দেওয়া হত। এবারে সকলকে নিয়ে এলাকার উন্নয়নের কাজ করা হবে। বাকি তৃণমূল সদস্য হয়তো ভয়ে অথবা লজ্জায় আসতে পারেননি। এর আগে গত মাসে তৃণমূল সদস্যদের সমর্থন জোগাড় করেই বাঁকুড়া ১ নম্বর জগদল্লা পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। উড়ে গেরুয়া আবির। তাতে সামিল হন তৃণমূল সদস্যরাও। এরপর হল 'শুদ্ধিকরণ'। অর্থাৎ পঞ্চায়েতের রাজনৈতিক রং বদল্র পর গঙ্গাজল দিয়ে পঞ্চায়েত অফিস 'শুদ্ধ' করা হল। নবনির্বাচিত প্রধান হলেন শ্যামলী চেল এবং উপপ্রধান হলেন উত্তম মহাদানি। তাঁদের চেয়ারে বসাল বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জগদল্লা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ১৩টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি আসন। পঞ্চায়েতে বিজেপি প্রার্থীরা জেতেন ৪ টি আসনে, সিপিএম প্রার্থী জেতেন ১ টি আসনে। তারপর তৃণমূলের নেতৃত্বেই চলছিল পঞ্চায়েত। এরপর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ছবিটা বদলে যায়। ৩ জুলাই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা প্রস্তাব আনে বিজেপি। এদিন অনাস্থা ভোটে বিজেপিকে সমর্থন করে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের বিক্ষুব্ধ অংশ। ১৭ সদস্যের ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে ৯টি ভোট পেয়ে বিজেপি তৃণমূলের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়। অনাস্থা ভোটে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্যরা সমর্থন নিয়ে এদিন ভোটে জেতে বিজেপি। বড়জোড়া ব্লকের মালিয়াড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে তারা। [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]