পরপর ১১ টা সাইক্লোন ! সমুদ্রের উপর তৈরি হবে মহাপ্রলয়? কাদের বড় বিপদ? বড় আপডেট আবহবিদদের
পরপর ১১ টা সাইক্লোন। ছোটখাটো নয়। একেবারে নামকরণ করার মতোই স্পষ্ট হবে তার গতিবিধি। আছড়ে পড়তে পারে স্থলভাগেও। বিশ্বজুড়ে এলনিনো আশঙ্কার মধ্যেই এই ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে Earth Sciences New Zealand-এর ২০২৬-২৭ সালের Tropical Cyclone Outlook এর রিপোর্ট। একদিকে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়

পরপর ১১ টা সাইক্লোন। ছোটখাটো নয়। একেবারে নামকরণ করার মতোই স্পষ্ট হবে তার গতিবিধি। আছড়ে পড়তে পারে স্থলভাগেও। বিশ্বজুড়ে এলনিনো আশঙ্কার মধ্যেই এই ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে Earth Sciences New Zealand-এর ২০২৬-২৭ সালের Tropical Cyclone Outlook এর রিপোর্ট। একদিকে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যেই দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হতে পারে ১১টি বড়সড় ঘূর্ণিঝড়! এর মধ্যে অন্তত চারটি ভয়াবহ শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এখন প্রশ্ন এই ঘূর্ণিঝড়গুলির অভিমুখ কোন দিকে হবে। ভারত কতটা বিপদে এইসব ঝড় নিয়ে। আগামী কয়েক মাসে কতটা বদলাতে পারে আবহাওয়ার পরিস্থিতি? Earth Sciences New Zealand-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে ৭ থেকে ১১টি বড় ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। এই অঞ্চলে সাধারণত একটি মরশুমে গড়ে প্রায় ৯টি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। অর্থাৎ, এবার ঝড়ের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।সবচেয়ে বেশি নজর রাখা হচ্ছে আন্তর্জাতিক তারিখরেখার বা ইন্টারন্যাশনাল ডেটলাইনের পূর্বদিকের অঞ্চলগুলিতে। সেখানে ইতিমধ্যেই একাধিক ঘূর্ণিঝড়ের দাপট স্পষ্ট। আগামীতে অন্তত চারটি ঝড় ক্যাটাগরি ৩ বা তার বেশি শক্তি অর্জন করতে পারে। তবে এখনই কোনও নির্দিষ্ট ঝড়ের গতিপথ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা সম্ভব নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন , এই বছর সুপার এল নিনোর প্রভাব আবহাওয়ার সব হিসেব গুলিয়ে দিতে পারে। মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রের জল অস্বাভাবিক গরম হয়ে উঠলে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। কোথাও বাড়তে পারে তাপপ্রবাহ, কোথাও বৃষ্টির ঘাটতি, আবার কোনও অঞ্চলে দেখা দিতে পারে অতিবৃষ্টি। আবার কোথাও কোথাও আবহাওয়ার ক্যালেন্ডারই বদলে যেতে পারে। এর ফলে যেমন ঝড়ের তাণ্ডবের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তেমনই কৃষিক্ষেত্রে বড়সড় ক্ষতির শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)-র এল নিনো সংক্রান্ত আপডেট তাই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এল নিনো সক্রিয় হলেই যে সব অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়বে, এমন নয়। এল নিনোর প্রভাব নিয়ে ভারতের আবহাওয়া বিজ্ঞানীরাও চিন্তিত। তবে প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়ার পূর্বাভাস মানেই ভারতে সরাসরি বড় ঝড় আছড়ে পড়বে, এমনটা নয়। আগামী কয়েক মাসে সমুদ্রের তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ এবং আবহাওয়ার নতুন পূর্বাভাসের দিকেই এখন নজর থাকবে।