অফিসের ভেতর বই বিক্রি করুন...CPM কে আর কী কী বলল কোর্ট ? রাজ্যকেও বড় নির্দেশ
বনগাঁয় বুকস্টল সংক্রান্ত মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেল সিপিএম। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ্ঠলরাও ঘুগে বললেন, দোতলায় আপনাদের অফিসের ভেতর বই বিক্রি করুন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ

বনগাঁয় বুকস্টল সংক্রান্ত মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেল সিপিএম। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ্ঠলরাও ঘুগে বললেন, দোতলায় আপনাদের অফিসের ভেতর বই বিক্রি করুন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ্ঠলরাও ঘুগে বললেন, সব স্টল সরিয়ে দিন, আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। বৃহস্পতিবার বনগাঁয় সিপিএমের বুক স্টল তৈরির অনুমতি দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। শুক্রবার, প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ্ঠলরাও ঘুগে ও বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা ওঠে। অ্যাডিশনাল অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতকে জানান, সিপিএম মাননীয় বিচারপতিকে মানে অনারেবেল সিঙ্গল জাজকে মিথ্যে তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে। সিপিএমের দাবি অনুযায়ী, যেহেতু কোনও একজন দখলদার সরকারি জায়গা দখল করেছে তাই আমাদেরও পুলিশি নিরাপত্তায় জায়গা দখল করতে দিতে হবে, এবং সিঙ্গল বেঞ্চও সেই মর্মেই নির্দেশ দিয়েছে। এরপরেই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চান রাজ্য সরকারের আইনজীবী। তখন প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র বিঠ্ঠলরাও ঘুগে বলেন, ওই বুক স্টলে কী হবে? বই বিক্রি হবে। সেটা যে কোনও বই হতে পারে। গীতা হতে পারে, বাইবেল হতে পারে, কোরান হতে পারে, বা অন্য যে কোনও বই হতে পারে। ৫ দিন বই বিক্রি হবে। তারপর সব তুলে নিয়ে চলে যাবেন। যদি এবছর বই বিক্রি করতে না দিই এবং যদি ৩ মাস পরে মামলার নিষ্পত্তি করে মামলার ফলাফল সিপিএমের দিকে যায় তাহলে এবছরের ক্ষতিপূরণ কী করে হবে? রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়, তখন সিপিএম স্টল করার জন্য কোনও অনুমতি নেয়নি। সিপিএমের তরফে আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, প্রতিবছর ওখানে কমপক্ষে একশো স্টল বসে, কখনও কোনও অনুমতি নেয়নি। চল্লিশ বছর ধরে কোনও অনুমতির প্রয়োজন ছিল না। এবছর হঠাৎ করে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, চল্লিশ বছর ধরে কোনও আইন কার্যকর করা হয়নি বলে এবছরও সেই আইন প্রয়োগ করা যাবে না, সেটা হয় না। যদি এই নিয়ম চালু হয়ে থাকে তাহলে সেটা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে, যার অনুমতি থাকবে না তার স্টলও থাকবে না। প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চান, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ কি অনুমতি নিয়েছে ? একজনের বাড়ির সামনে অন্য কেউ কিভাবে স্টল তৈরি করতে পারে? সব স্টল সরিয়ে দিন, আমাদের কোনও অসুবিধা নেই।