Malda: মাঝরাতে চাঁচল থানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়
মালদা: মাঝরাতে থানার ভেতরেই জ্বলছে আগুন! মালদার চাঁচল থানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। আগুনের গ্রাসে চলে আসে থানার মালখানা ঘর-সহ একাধিক ঘর। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। তবে তাতেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও একটি ইঞ্জিন আনা হয়। শ

মালদা: মাঝরাতে থানার ভেতরেই জ্বলছে আগুন! মালদার চাঁচল থানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। আগুনের গ্রাসে চলে আসে থানার মালখানা ঘর-সহ একাধিক ঘর। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। তবে তাতেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও একটি ইঞ্জিন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত দমকলকর্মী, পুলিশকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। রাতে এই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। যদিও অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই গুরুত্বপূর্ণ নথি, কেস ডায়েরি, কম্পিউটার-সহ অন্যান্য সামগ্রী কোনওরকমে উদ্ধার করে বাইরে বের করে আনা হয়। তবে অগ্নিকাণ্ডে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মাঝরাতে থানার ভিতরে এভাবে আগুন লাগার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কলকায় সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল মির্জা গালিব স্ট্রিটে। সেখানে একটি হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল। এবারের পুজোয় রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ২০ অক্টোবর বাঘাযতীন মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল বিভিন্ন দোকানগুলিতে। মুহূর্তেই পুড়ে ছাই একাধিক দোকান। ভরা পুজোর মধ্যে রাতারাতি সর্বস্বান্ত বহু ব্যবসায়ী। শেষ অবধি পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, প্রায় ৩ঘণ্টার চেষ্টায় দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। চোরবাগানের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। অগ্নিনিরাপত্তায় গাফিলতির জেরে ৩ পুজো কমিটিকে নোটিস পাঠিয়েছিল দমকল। সেই তিনটিই কলকাতার বড় ও নামী পুজো। চেতলা অগ্রণী, বালিগঞ্জ কালচারাল ও ত্রিধারা সম্মিলনী। এই তিন পুজোকে দমকলের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। যে যে কারণে নোটিস পাঠানো হয়েছিল?চেতলা অগ্রণীর ক্ষেত্রে মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলো, ফ্যান ও AC-র অভাব আছে বলে জানিয়েছিল দমকল। চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ লাগোয়া এলাকায় বেআইনি অস্থায়ী কাঠামো রয়েছে, LPG সিলিন্ডার রাখা রয়েছে বলে দেখেছিল উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পরিদর্শন দল। চেতলা অগ্রণীকে অস্থায়ী কাঠামো অবিলম্বে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এরপরই। বালিগঞ্জ কালচারালের মণ্ডপের ভিতরে কম আলো থাকার অভিযোগ উঠেছিল। আপদকালীন পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীদের বেরোতে সমস্যা হতে পারে বলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দলের পরিদর্শনে উঠে এসেছিল এরপর। বালিগঞ্জ কালচারালের এন্ট্রি, এক্সিট গেট ও লাগোয়া এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যকলাপ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সঙ্গে সঙ্গে।