Chorbagan: সপ্তমীতে চোরবাগানে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার ও কর্মীদের তালিকা তৈরি, কাল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ
কলকাতা: চোরবাগানে মৃত্যুমিছিল। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান ১৯ জন। লালবাজারের স্ক্যানারে এবার পুলিশ। সপ্তমীর সন্ধেয় কারা চোরবাগান সর্বজনীনে ডিউটিতে ছিলেন? চোরবাগান সর্বজনীনে (Chorbagan Durga Puja) ক্রাউড ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে কারা ছিলেন? এন্ট্রি-এক্সিট গেটে কোন কোন পুলিশকর্মী ছিলেন? সপ্

কলকাতা: চোরবাগানে মৃত্যুমিছিল। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান ১৯ জন। লালবাজারের স্ক্যানারে এবার পুলিশ। সপ্তমীর সন্ধেয় কারা চোরবাগান সর্বজনীনে ডিউটিতে ছিলেন? চোরবাগান সর্বজনীনে (Chorbagan Durga Puja) ক্রাউড ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে কারা ছিলেন? এন্ট্রি-এক্সিট গেটে কোন কোন পুলিশকর্মী ছিলেন? সপ্তমীর সন্ধেয় চোরবাগানে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার ও কর্মীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।কাল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে লালবাজার। এদিকে চোরবাগান বিপর্যয়ে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের। আগামী সপ্তাহে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে শুনানির সম্ভাবনা। তদন্তকারী ও মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারে কমিশন। চোরবাগান পুজো মণ্ডপে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। রামনগরে মৃত কল্পনা জানার বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "৩ মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট এলে বিধানসভায় সর্বসমক্ষে আনা হবে। সঠিক বিচারের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।" রামনগরে মৃতের বাড়িতে গিয়ে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও পড়ুন: তিলক-নীতীশের ম্যাচ জেতানো পার্টনারশিপ, ভেঙে চুরমার আগের সব রেকর্ড চোরবাগানে দুর্গাপুজোয় বেনজির বিপর্যয় ঘটেছিল। পুজোর রোশনাইয়ের মধ্যেই, চিরতরে চলে গিয়েছে ১৯ জনের প্রাণ। সিঁদুর না খেলে চোখের জলে বিদায় জানানো হয় মাতৃপ্রতিমাকে। চোরবাগান সর্বজনীনের প্রতিমা বিসর্জন করা হয় শনিবার। মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করতে আনা হয়েছিল ৪০ জন কুলিকে। বিসর্জনের গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় চোরবাগান সর্বজনীনের প্রতিমা । মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই বের করা হয় প্রতিমা। নিমতলা ঘাটে হয় চোরবাগানের প্রতিমা নিরঞ্জন। মায়ের দর্শন পেতে শনিবারও ভিড় এলাকায়। মাকে বিদায় জানাতে ভিড় স্থানীয়দের। কারও কারও গলায় বিষাদের সুর, কারও চোখে জল। চোরবাগানের পুজোয় মাকে বরণ করতে পারেননি মহিলারা। এক স্থানীয়ের কথায়, 'খুব খারাপ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। যা হয়েছে এরপর আর কী করার আছে। যা হল খুব খারাপ হল। বরণ হল না, মায়ের কী খুঁত হল সেটাও আমরা জানিনা। সপ্তমীর বিকেল পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। বৃষ্টিতেই নিয়তি টেনে নিয়ে গেল সব। মা আমাদের ক্ষমা করে যাক।'