অর্জুনের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে কৌস্তভের গাড়ি, গো-ব্যাক স্লোগান শুনেই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, কাকে নিশানা?
সমীরণ পাল, ব্যারাকপুর : মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িতের সঙ্গে কেন মঞ্চে, এনিয়ে হালফিলে একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে দুই বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং ও কৌস্তব বাগচীর মতানৈক্য। এবার ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তব বাগচী বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অর্জুন সিংয়ের বিধানসভা এলাকার মধ্যে। কেন্দ্রীয় জুট

সমীরণ পাল, ব্যারাকপুর : মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িতের সঙ্গে কেন মঞ্চে, এনিয়ে হালফিলে একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে দুই বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং ও কৌস্তব বাগচীর মতানৈক্য। এবার ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তব বাগচী বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অর্জুন সিংয়ের বিধানসভা এলাকার মধ্যে। কেন্দ্রীয় জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ফেরার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে একদল স্থানীয় বাসিন্দাকে বিক্ষোভ দেখাতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের নীলগঞ্জে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন কৌস্তভ বাগচী। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পিএম কিষান সম্মান নিধি সংক্রান্ত কর্মসূচি উপলক্ষে সরকারি আমন্ত্রণ পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সংস্থার বাইরে বেরিয়ে আসার সময়ই বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপি বিধায়ক। কৌস্তভ জানান, আগে থেকেই বেশ কয়েকজন স্থানীয় মহিলা ও পুরুষ প্ল্যাকার্ড হাতে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। কৌস্তভের গাড়ি বেরিয়ে আসতেই তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। গাড়ির সামনে দাঁড়িয়েও বিক্ষোভ দেখানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশি হস্তক্ষেপে কৌস্তভের গাড়ি এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যায়। তবে পুলিশ চলে যাওয়ার পরেও বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলে। ঘটনার কথা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কৌস্তব বাগচী। পাশাপাশি,আরও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তিনি।কৌস্তভ বলেন, তিনি ঠিক বুঝতে পারেননি কারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তবে বেশ কিছু মানুষ সেখানে জমায়েত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট কোন বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে, সেটাও দলের নেতৃত্বের দেখা উচিত। বিক্ষোভের পিছনে তৃণমূল থেকে হঠাৎ বিজেপি হওয়া বা তৃণমূল করত এমন লোকজনেরই হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর দাবি, অতীতে এই ধরনের বিক্ষোভ তৃণমূল করত। কৌস্তবের হুঁশিয়ারি, তাঁর ধৈর্য বা সহনশীলতাকে কেউ দুর্বলতা বলে মনে করলে ভুল করবেন। তাঁর কথায়, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।” আর এই মন্তব্য ঘরে শুরু হয়েছে চর্চা । উঠে আসছে বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর সঙ্গে পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংহের সাম্প্রতিক মতানৈক্যের প্রসঙ্গও। আরও পড়ুন : ভুটানে হিমবাহ ধস, হুড়মুড়িয়ে জল ঢুকবে এ রাজ্যে? দার্জিলিং-ডুয়ার্সকে সতর্ক করলেন সাংসদ