SA vs AUS: হার্মারের ভেল্কিতে কুপোকাত অস্ট্রেলিয়া, 'সর্বসেরা' সিরিজ় জিতে ব়্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা
কেপ টাউন: বিশ্বের এক ও দুই নম্বর দলের (ব়্যাঙ্কিং) লড়াই, সেটা টানটান হওয়াটাই স্বাভাবিক। হলও তাই। গোটা সিরিজ় জুড়ে একেবারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইব হল। একেবারে সিরিজ়ের শেষ দিনে সিরিজ়ের ভাগ্য নির্ধারিত হত। সেই শেষদিনে সাইমন হার্মার (Simon Harmer) ভেল্কিতে কুপোকাত হল অস্ট্রেলিয়া (SA vs AUS)। অজ়িরা ম্যা

কেপ টাউন: বিশ্বের এক ও দুই নম্বর দলের (ব়্যাঙ্কিং) লড়াই, সেটা টানটান হওয়াটাই স্বাভাবিক। হলও তাই। গোটা সিরিজ় জুড়ে একেবারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইব হল। একেবারে সিরিজ়ের শেষ দিনে সিরিজ়ের ভাগ্য নির্ধারিত হত। সেই শেষদিনে সাইমন হার্মার (Simon Harmer) ভেল্কিতে কুপোকাত হল অস্ট্রেলিয়া (SA vs AUS)। অজ়িরা ম্যাচ তো হারলই, সিরিজ়ও হারতে হল এবং তার পাশাপাশি খোয়া গেল আইসিসি ব়্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও। টেস্ট সিরিজ়ের শেষ দিন অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২৮৮ রান, দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ১০ উইকেট। ম্যাচ একেবারে ৫০-৫০ অবস্থায় ছিল। দুই দলের কাছেই জয়ের সুযোগ ছিল। তবে শেষদিন লড়াইটা করতেই পারল না অস্ট্রেলিয়া। হার্মারের স্পিন ভেল্কিতেই মূলত পরাস্ত হল অস্ট্রেলিয়া। তবে দিনের শুরুটা করেছিলেন কাগিসো রাবাডা। দিনের একেবারে শুরু থেকেই আগুন ঝরান কাগিসো রাবাডা। তিনি ইনিংসের প্রথম ওভারেই অস্ট্রেলিয়াকে জোড়া ধাক্কা দেন। ম্যাট রেনশঁ এবং মার্নাস লাবুশেনকে সাজঘরে ফেরান রাবাডা। খানিকটা পরে ট্র্যাভিস হেডও স্লিপে রাবাডার বলেই ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ন জোস ইংলিশ ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির জেরে রান আউট হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার চাপ আরও বাড়ে। এরপরে শুরু হয় হার্মারের ভেল্কির জাদু। একের পর এক অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলিকে সাজঘরে ফেরান হার্মার। অর্ধশতরানের গণ্ডি পার করার আগেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। আরও পড়ুন:- 'ওকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দাও', একাদশ থেকে বৈভবের বাদ পড়া নিয়ে উষ্ণা প্রকাশ করে দাবি ভারতীয় প্রাক্তনীর ক্যামেরন গ্রিন ও প্রমোশন পওয়া মিচেল স্টার্ক খানিকটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। একাধিকবার হার্মারের বলে জীবনদান পান স্টার্ক, মিস হয় ক্যাচ, বহুবার বল স্টার্কের ব্যাটের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তবে শেষমেশ সেই হার্মারের বলেই স্টার্ক আউট হন। এরপর পালা ছিল গ্রিনের। তিনি ১১০ বল খেলে ২৭ রান করে সেই হার্মারেরই শিকার হন। প্যাট কামিন্স ও ন্যাথান লায়ন পাল্টা আক্রমণ চালান। কোনওরকমে তাঁদের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া শতরানের গণ্ডি পার করে। তবে কামিন্স তারপরেই হার্মারের বলে আউট হন। তাঁকে আউট করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট সম্পূর্ণ করেন হার্মার এবং হ্যাজেলউডকে ফিরিয়ে ইনিংস গুটিয়ে ম্যাচে ১০ উইকেট পূরণ করেন তিনি। ১১১ রানে অল আউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৭৬ রানে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজ়ে ০-১ পিছিয়ে পড়েও শেষমেশ ২-১ সিরিজ় জিতে নিল প্রোটিয়ারা। এই দুরন্ত সিরিজ়কেই নিজের কেরিয়ারের সেরা সিরিজ়ের আখ্যা দেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ম্যাচের পর তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'প্রোটিয়া দলকে আমরা আগের থেকে ভাল জায়গায় ছেড়ে যেতে চাই। প্রতিবারই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইটা বিশেষ হয়। ওদের হারাতে চাই আমরা। সত্যি বলতে এটাই আমার অংশগ্রহণ করা সেরা সিরিজ়। এই জয়টা তালিকায় এক নম্বর।' [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]