Buxa Tiger Reserve: অসমে গিয়েছে বক্সার জঙ্গলের বাঘ, অবশেষে মিলল ঘুম পাড়ানি গুলিতে তাকে কাবু করে খাচাবন্দির অনুমতি
অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: অসম-বাংলা বনদপ্তরের আবেদনে সাড়া দিয়ে অসমে আশ্রয় নেওয়া বক্সার বাঘিনীকে ঘুম পাড়ানি গুলিতে কাবু করে খাচা বন্দি করার অনুমতি মিলেছে। সোমবার ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) অনুমতি এসেছে বলে জানা যায়। অনুুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। অসমের রাইমোন

অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: অসম-বাংলা বনদপ্তরের আবেদনে সাড়া দিয়ে অসমে আশ্রয় নেওয়া বক্সার বাঘিনীকে ঘুম পাড়ানি গুলিতে কাবু করে খাচা বন্দি করার অনুমতি মিলেছে। সোমবার ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) অনুমতি এসেছে বলে জানা যায়। অনুুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। অসমের রাইমোনা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে আশ্রয় নেওয়া বক্সার বাঘিনীটিকে ট্রাঙ্কুলাইজ করার জন্য অবশেষে ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) অনুমতি এলো। অনুমতি আসার সঙ্গে সঙ্গে সোমবার বিকাল থেকেই বাঘিনীটিকে ট্রাঙ্কুলাইজ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও অসম বনদপ্তর। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বক্সার ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা কুমার বিমল। ট্রাঙ্কুলাইজ অভিযানে আছেন এনটিসিএ ও ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার বাঘ বিশেষজ্ঞরাও। এদিন এনটিসিএর অনুমতি আসার সঙ্গেই সঙ্গেই রাইমোনা টাইগার রিজার্ভে ছুটে যান রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাওঁ। এর আগে বাঘিনীটি রাইমোনার জঙ্গল ছেড়ে সাত কিমি দূরে নারায়ণপুর লোকালয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। বর্তমানে বাঘিনী নারায়নপুর থেকে আরো ২৩ কিমি দূরে দোতনা গ্রামের একটি প্রাকৃতিক ছোট বাঁশ জঙ্গলে অবস্থান করছে। বাঘিনীটির অবস্থান জানতে থার্মাল ড্রোন ওড়ানো হয়, আর তাতেই দোতনা লোকালয়ে বাঘিনীটির অবস্থান পরিস্কার হয়ে যায়। আরও পড়ুন:- ঢাকা হল মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নামের ফলক, নন্দনে লঞ্চ হল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের নতুন লোগো বাঘিনীটিকে ট্রাঙ্কুলাইজ করতে পেল্লায় জাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাতে ঘুমপাড়ানী গুলি ছোঁড়ার সময় বাঘিনীটি পালিয়ে যেতে না পারে। ওই জাল দিয়ে দোতনার প্রাকৃতিক জঙ্গলও ঘিরে ফেলা হয়েছে। বক্সার জঙ্গল ছেড়ে টানা ১২ দিন ধরে বাঘিনীটি অসমের জঙ্গলে রয়েছে। রাইমোনা টাইগার রিজার্ভ থেকে বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ বলেন, 'এনটিসিএর অনুমতি আসার সঙ্গে সঙ্গে অসমে ছুটে এসেছি। তবে সোমবার সন্ধ্যা নেমে যাওয়ায় এদিন আর বাঘিনীটিকে ট্রাঙ্কুলাইজ করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ট্রাঙ্কুলাইজের কাজ পুরোদমে শুরু করে দেওয়া হয়েছে।' গত ২ অক্টোবর বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে একটি বাঘ এনে বক্সার গভীর জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। বাঘটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য তার শরীরে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের ব্যবস্থা-সহ কলার আইডি বসানো হয়েছিল। সেই প্রযুক্তির সাহায্যেই বাঘটির অবস্থান ও চলাফেরার উপর নজর রাখছিল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে তার কলার আইডির সুবাদেই জানা যায় বাঘটি রাজ্যের সীমানা পার করেছে। এবার অবশেষে তাকে কাবু করার কাজ শুরু হল। [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]