Chandranath Rath: ‘২ কোটি টাকার সুপারি কে দিল, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে এসেছিল, না কালীঘাট থেকে…’, চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ড নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী
কলকাতা: নন্দীগ্রামে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর বিধানসভায় শপথ নিলেন হাসিরানি রথ। তাঁর শপথগ্রহণে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে ফের হাসিরানিকে আশ্বস্ত করলেন তিনি। জানালেন, তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত সাত জনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা CBI. তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। শুধু

কলকাতা: নন্দীগ্রামে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর বিধানসভায় শপথ নিলেন হাসিরানি রথ। তাঁর শপথগ্রহণে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে ফের হাসিরানিকে আশ্বস্ত করলেন তিনি। জানালেন, তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত সাত জনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা CBI. তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। শুধু ২ কোটি টাকার বরাত কোথা থেকে এসেছিল, তা এখনও জানা যায়নি। আর সেই প্রসঙ্গেই ক্যামাক স্ট্রিট এবং কালীঘাটের দিকে ইঙ্গিত করলেন তিনি। (Suvendu Adhikari) বুধবার বিধানসভায় প্রথমেই হাসিরানিকে অভিনন্দন জানান শুভেন্দু। বলেন, "আমি হাসিরানি রথকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানাব। তাঁর ব্যথা আছে। তাঁর ছেলেকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে আমার সহযোগী ছিল বলে। ইতিমধ্যেই সাত জনকে গ্রেফতার করেছে CBI. শ্যুটার এবং সুপারি কিলার, সবাই গ্রেফতার হয়েছে। এখন শুধু বাকি আছে ২ কোটি টাকার সুপারি কে দিয়েছিল, সেটা সামনে আসা। আমার বিশ্বাস, CBI সেটা করবে।" (Chandranath Rath) আরও পড়ুন: ‘সবে ব্রেকফাস্ট, এখনও লাঞ্চ বাকি, দেখতে থাকুন কী ভাবে এগোই’, বিধানসভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুভেন্দু আরও বলেন, "হাসিরানি মহাশয়ার তরতাজা পুত্র। বায়ুসেনায় কাজ করেছেন, দেশসেবা করেছেন। তিনি নিশ্চয়ই বিচার পাবেন। ইতিমধ্যেই অগ্রসর হয়েছে। সাতজনকে গ্রেফতার করেছে CBI. শুধু বাকি ২ কোটি টাকা কোথা থেকে এসেছিল...ক্য়ামাক স্ট্রিট থেকে এসেছিল, না কালীঘাট থেকে এসেছিল, না ডায়মন্ড হারবার থেকে কেউ দিয়েছিল। এটুকু জানা বাকি আছে। সেটা জানলে তদন্তের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে বলে আমার বিশ্বাস।" আরও পড়ুন: TATA গোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে? এবার ঝাঁঝাল আক্রমণে রাহুল গাঁধী, সরাসরি মোদি-শাহের দিকে আঙুল শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রাম আসনেই উপনির্বাচন হয়। সেখানে প্রার্থী হন চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করলেন এবার। এর জন্য নন্দীগ্রামবাসীকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু। কেন ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম ছাড়লেন, তা নিয়ে এদিনও ব্যাখ্য়া দেন তিনি। বলেন, "নন্দীগ্রামের জনগণ অভিমান নিয়ে আমাকে বলেছিলেন, 'ভবানীপুর ছাড়তে পারতেন'। আমি বুঝিয়ে বলেছি যে ভবানীপুর ছাড়লে যিনি দু'বার আমার কাছে হেরেছেন, তিনি আবার দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেতেন। সেই সুযোগ না দেওয়াই ভাল। এই বয়সে আর না দাঁড়ানোই ভাল ওঁর। অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে। ৭৫ প্রায়। এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা। সেই কারমে আমি নন্দীগ্রাম ছেড়েছি।" শুভেন্দু জানিয়েছেন, হাসিরানির মাধ্যমে নন্দীগ্রামকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন তিনি।