Chorbagan Sarbojanin : 'কোনও বড় দুর্ঘটনাই ঘটেনি' চোরবাগানে বিপর্যয়ের দাবি করেন এঁরা ! বলেন, 'বিরোধী দলের রাজনীতি'
সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, আবির দত্ত, কলকাতা : চোরবাগানে মৃত্যু মিছিল। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে উনিশ জনের। শনিবার সন্ধেয় যখন চোরবাগানের পুজো মণ্ডপে হাহাকার করছেন মৃতের পরিজনরা, এই ভয়ঙ্করকাণ্ড ঘটে গেছে, তখন বাইরে উপস্থিত একাংশের মুখে শোনা যায় উল্টোকথা। তাঁরা দাবি করেন, কোনও বড় দুর্ঘটনাই ঘটেনি। দুর্ঘটনার দ

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, আবির দত্ত, কলকাতা : চোরবাগানে মৃত্যু মিছিল। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে উনিশ জনের। শনিবার সন্ধেয় যখন চোরবাগানের পুজো মণ্ডপে হাহাকার করছেন মৃতের পরিজনরা, এই ভয়ঙ্করকাণ্ড ঘটে গেছে, তখন বাইরে উপস্থিত একাংশের মুখে শোনা যায় উল্টোকথা। তাঁরা দাবি করেন, কোনও বড় দুর্ঘটনাই ঘটেনি। দুর্ঘটনার দিনই স্থানীয় বাসিন্দা বিনয় ত্রিপাঠি বলেন , এরকম কোনও দুর্ঘটনা হয়নি, যাতে কারও জীবন-জীবিকার কোনও ক্ষতি হয়। এরকম কোনও বিষয় হয়নি। হ্যাঁ, কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা হচ্ছে। ঠিক এমন কথাই শোনা যায় মদন কুমার ঝাঁ এর মুখে। তিনি আবার বলেন, 'কারও মৃত্যু হয়নি, ১০ জন আহত হয়েছেন। ১০ জন আহত হয়েছেন। বিরোধী দলের লোকজন এখানে রাজনীতি করতে এসেছে। ' তাঁদের মুখে এই কথা শুনে অনেকেই হাঁ হয়ে যান! এরা বলছেন কী! কিন্তু রবিবার কলকাতা পুলিশের মর্গের বাইরে তাঁদের সুরই বদলে যায়! সেই বিনয়ই বলেন, আমরা যখন বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম, তখন আমাদের কাছে সত্যি কোনও খবর ছিল না। যখন ভিতরে গেছি, তখন খবরটা আপডেট হয়েছে। আর মদন বলেন, ৮টার পর যখন ভিতরে ঢুকলাম, তখন কিছু না কিছু খবর পেয়েছি। তখন অনেক লোক আহত হয়েছে। অনেক লোক মারাও গেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, এরা কারা? তাহলে কি একটা অংশ পরিকল্পিতভাবে গোটা বিষয়টাকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছিল? কেন করেছিলেন? কার নির্দেশে? এদিকে মৃত্য়ু মিছিল নিয়ে চারদিকে শোরগোল! দাবি পাল্টা দাবি! শাসক বিরোধী রাজনৈতিক লড়াইয়ের মধ্য়েই মুখ্য়মন্ত্রীর গলায় উঠে এসেছে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য়। সব মিলিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। চোরবাগানে ১৯ জনের মৃত্যুর পর বারবার প্রশ্ন উঠছে, এই মৃত্যু মিছিলের দায় কার? অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ফেসবুকে দাবি করে বলা হয়েছে, অনুমান করুন তো কে চোরাবাগান পুজো প্যান্ডেলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত? মৃত্যু মিছিলের দায় ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএমের দাবি, পুলিশকে ক্রাউড ম্য়ানেজমেন্টের কাজে না লাগিয়ে বামপন্থীদের স্টল ভাঙার কাজে লাগানো হচ্ছে। রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে তীব্র নিশানা করেছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না।