Chorbagan Stampede Incident: চোরবাগানকাণ্ডে ধৃত বাবু মজুমদারের ফেসবুক লাইভ ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে? অভিযোগ স্ত্রীর
কলকাতা: চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি। পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন শিশু-সহ ১৯ জন। সেই ঘটনায় বাবু মজুমদার নামের আর এক ঘোষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সংবাদমাধ্যমে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তাঁর স্ত্রী। জানালেন, আগেই ধরা দিতে চেয়েছিলেন বাবু। কিন্তু ২৭ তারিখের আগে তাঁকে থানায় যেতে নিষেধ করা হ

কলকাতা: চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি। পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন শিশু-সহ ১৯ জন। সেই ঘটনায় বাবু মজুমদার নামের আর এক ঘোষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সংবাদমাধ্যমে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তাঁর স্ত্রী। জানালেন, আগেই ধরা দিতে চেয়েছিলেন বাবু। কিন্তু ২৭ তারিখের আগে তাঁকে থানায় যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ফেসবুক লাইভও করেছিলেন বাবু। কিন্তু ফেসবুক লাইভ ডিলিট করানো হয়েছিল বলে দাবি বাবুর স্ত্রীর। (Chorbagan Stampede Case) চোরবাগানকাণ্ড নিয়ে এবিপি আনন্দে মুখ খুলেছেন বাবুর স্ত্রী। তিনি বলেন, "ফেসবুক লাইভে ও বলেছিল যে 'আমি অনেক আগেই ধরা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে কেউ বারণ করেছিল যে ২৭ তারিখের আগে সামনে না আসতে'। ওটাই ও বলেছে ফেসবুক লাইভে। ও যে থানায় গিয়েছে, সেই ভিডিও বানিয়েছিল যে, 'আমি থানায় যাচ্ছি। সারেন্ডার করছি'। কিন্তু এখন আমি ফোনে দেখছি, ফেসবুক থেকে কেউ সব ডিলিট করে দিয়েছে। নেই সেই ভিডিওগুলো।" (Chorbagan Stampede Incident) আরও পড়ুন: ‘২৭ তারিখের আগে আত্মসমর্পণ করতে বারণ করা হয়েছিল’, চোরবাগানকাণ্ডে ধৃত বাবু, মুখ খুললেন স্ত্রী বাবুর স্ত্রী আরও বলেন, "ওকে কেউ বলেছিল যে এখন তুই সামনে আসিস না। এখন গা ঢাকা দিয়ে থাক।" কিন্তু বাবুকে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে বলেছিল কে? কার কথায় তিনি পালিয়ে যান? তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য, "সেটা আমি বলতে পারব না। আমাকে বলেনি। আমি তো বুঝতে পারছি না, কে করল (ডিলিট), কারা করল এরকম? কী ভেবেই বা করল? আমি জানি না। কিছু বুঝতে পারছি না আমি। আমিও পোস্টটা শেয়ার করেছিলাম। আমার অ্যাকাউন্টেও দেখছি নেই ভিডিওটা। ও কারও নাম নেয়নি।" যার কথা বলছিলেন বাবু, তিনি কি কমিটিরই কেউ? হ্যাঁ বলার মতো করে ঘাড় নাড়েন বাবুর স্ত্রী। (Chorbagan Stampede Incident) আরও পড়ুন: পুনর্জন্ম বলে কি কিছু হয়? পূর্বজন্মের কথা কি সত্যিই মনে থাকে? গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য, নতুন প্যাটার্ন ওই দিন ঠিক কী ঘটেছিল, তাও সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরেছেন বাবুর স্ত্রী। জানিয়েছেন, বৃষ্টি পড়ছিল বলে তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পুজোর মাঠে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বাড়িতে ঢোকেন বাবু। তাড়াহুড়ো করতে দেখা যায় তাঁকে। স্ত্রীকে প্যান্ডেলে যেতে নিষেধ করেন। কিছু মানুষ মারা গিয়ে থাকতে পারেন বলেও জানান স্ত্রীকে। সাহায্য় করতে যাচ্ছেন বলে জানান। এর পর বাড়িতে ফোন রেখে, হাফপ্যান্ট-স্যান্ডো গেঞ্জি পরে এবং একটি গামছা নিয়েই বেরিয়ে যান বাবু। বাবুর স্ত্রী জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে সেই যে বেরোন, আর ফেরেননি। পরে কয়েক বার যোগাযোগ করেন। জানান, আপাতত আত্মসমর্পণ করতে বারণ করা হয়েছে তাঁকে। মাইকে ওই ঘোষণাও তাঁকে করতে বলা হয়েছিল বলে জানান। কিন্তু কে ঘোষণার নির্দেশ দেয়, তা খোলসা করেননি বাবু। নিজে সব জানেন, সব জানাবেন বলে স্ত্রীকে জানান। তাহলে কি পুজো কমিটির তরফেই ওই ঘোষণা করতে বলা হয়েছিল? উঠছে প্রশ্ন।