CJP Delhi Protest: 'ককরোচ'দের আলোচনায় ডাক কেন্দ্রের, "যখন বলবেন, তখনই.."
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় ডাকল কেন্দ্রীয় সরকার। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, কেন্দ্রের তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত দেশের সরকার। যে সময়ে চাইবে বৈঠকে যেতে চাইবে, আমরা রাজি আছি, কক

নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় ডাকল কেন্দ্রীয় সরকার। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, কেন্দ্রের তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত দেশের সরকার। যে সময়ে চাইবে বৈঠকে যেতে চাইবে, আমরা রাজি আছি, ককরোচ জনতা পার্টিকে, কেন্দ্রের তরফে প্রস্তাব কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ-র। জেপি নাড্ডার বাসভবনে কিংবা অফিসে এই বৈঠক হতে পারে।' #WATCH | Delhi | On updated proposal for talks with Cockroach Janta Party, Union Minister Dr Jitendra Singh says, "I wish to share that in the last 24 hours as many as four offers were made to the student representatives for a dialogue. It is my humble appeal to the students on… pic.twitter.com/ytUgOiORui — ANI (@ANI) July 23, 2026 [yt]https://youtu.be/Z62YZ50wBhQ?si=zy_3yVk9_pNB0_Rm[/yt] আরও পড়ুন, "..বিনা নির্বাচনে সেটা সম্ভব নয়", ‘ককরোচ’দের উদ্দেশে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ? নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের আবহে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা আমাদের যুব সমাজের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের রেয়াত করা হবে না।' সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীজি দেশকে খুব ভাল একটা বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিট প্রশ্নফাঁসে যারা দোষী তাদেরকে কড়া শাস্তি দেওয়ার জন্য ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আর প্রধানমন্ত্রী এই পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই পোস্টটি উদ্ধৃত করে রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডলে লেখেন,'আপনিই আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন। আপনারা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরি কব্জা ও ধ্বংস করার সুযোগ দিয়েছেন এবং তাতে উৎসাহ জুগিয়েছেন। পাশাপাশি এর জন্য দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তিকে আপনারা সুরক্ষা দিয়েছেন। পড়ুয়াদের দাবি পরিষ্কার।' প্রথম, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। দ্বিতীয়, পড়ুয়াদের কাছে ক্ষমা চাওয়া ও তৃতীয়, পড়ুয়াদের ওপর অত্যাচার যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এদিকে বুধবার রাতে দিল্লিতে ফের বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ও পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। আহত হন এক এসিপি-সহ চারজন পুলিশ কর্মী।