CJP Delhi Protest: ফের আটক আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস; যন্তর মন্তরে যেতেই তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ
নয়া দিল্লি: ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। তবে শুধু তাঁরা নন, আশুতোষ ও সৌরভের পাশাপাশি এবার দিল্লি পুলিশের হাতে আটক অজিঙ্কা শিন্ডেও। এদিন কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে যন্তর মন্তরে যেতেই CJP নেতাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। সৌরভ দাসকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। উল্লেখ্য, গতকালই বিক্ষোভ বা

নয়া দিল্লি: ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। তবে শুধু তাঁরা নন, আশুতোষ ও সৌরভের পাশাপাশি এবার দিল্লি পুলিশের হাতে আটক অজিঙ্কা শিন্ডেও। এদিন কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে যন্তর মন্তরে যেতেই CJP নেতাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। সৌরভ দাসকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। উল্লেখ্য, গতকালই বিক্ষোভ বা ধর্নাস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরকে বাদ দেয় দিল্লি পুলিশ। আরও পড়ুন: রাশিয়ার তেল কিনলে শুল্ক বসবে অন্যদের উপর, কিনবে শুধু আমেরিকা? সমালোচনার মধ্যেও নিজের অবস্থানে অনড় ট্রাম্প গতকাল সকালে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা যন্তর মন্তরে ধর্না করার অনুমতির জন্য থানায় গিয়েছিলেন। যদিও তাঁরা এই অনুমতি পাননি। অন্যদিকে, গতকালই দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল ধর্না স্থল হিসাবে যন্তর মন্তরকে ডি-নোটিফাই করা হচ্ছে। অর্থাৎ, সেখানে আর ধর্না করা যাবে না। ফলে, ধর্নার জন্য বিকল্প জায়গা হল যন্তর মন্তর থেকে ৪ কিলোমিটার দূরের রামলীলা ময়দান। এর পর আজ সকালে আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস সহ ককরোচ জনতা পার্টির বেশ কিছু সমর্থক পৌঁছে গিয়েছিলেন যন্তর মন্তরে। যন্তর মন্তরের গোটা এলাকা ব্যারিকেড করা রয়েছে। যদিও এমন একটা জায়গা রয়েছে যেখানে ব্যারিকেড বেশ ছোট। আর সেই ছোট ব্যারিকেড টপকে তাঁরা ঢুকে পড়েন যন্তর মন্তরের ভিতরে। সেখানে ঢুকে ভারতের পতাকা নিয়ে 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' ও 'ভারত মাতার জয়' স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। যন্তর মন্তরকে ধর্না স্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ করতেই তাঁরা ওখানে গিয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরের ভিতরে ঢুকেছিলেন, তাঁদের আটক করা হয়েছে। আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস সহ বাকিদেরও পুলিশ আটক করেছে। তারপর বর্তমানে তাঁদের নিয়ে আসা হয়েছে থানায়। এখন দেখার কী পদক্ষেপ করে দিল্লি পুলিশ। আরও পড়ুন: বিশ্ব বাজারের চাপ কাটিয়ে চলতি অর্থবর্ষেও ৭ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ভারতের অর্থনীতির, পূর্বাভাস দিল IMF অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তরে BNSS - এর ১৬৩ ধারা লাগু করা রয়েছে। এ ছাড়াও বর্তমানে যন্তর মন্তর আর ধর্না স্থল নয়। উল্লেখ্য, এর আগে এখানেই ধর্না হয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টির। যে ধর্নার পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।