CJP Funding: আমেরিকা-পাকিস্তান থেকে টাকা পাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি? মারাত্মক অভিযোগ কেন্দ্রের, মুখ খুললেন অভিজিৎ-আশুতোষরা
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে এবার শত্রুদেশের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের দাবি, ভারতবিরোধী সংস্থা, দেশের অন্দরে এবং দেশের বাইরে ভারতবিরোধী সংস্থা থেকে টাকা পেয়েছে CJP. ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে, অশান্তি উস্কে দিতে বেইনি ভাবে বিদেশ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এর সপক্ষে য

নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে এবার শত্রুদেশের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের দাবি, ভারতবিরোধী সংস্থা, দেশের অন্দরে এবং দেশের বাইরে ভারতবিরোধী সংস্থা থেকে টাকা পেয়েছে CJP. ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে, অশান্তি উস্কে দিতে বেইনি ভাবে বিদেশ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এর সপক্ষে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। CJP যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। (Cockroach Janta Party Funding) সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই দাবি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ। CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, কৌশলী আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে তাঁদের হাতে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন জিতেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য, “বেআইনি উৎস থেকে, ভারতবিরোধী NGO, দেশের ভিতরে এবং দেশের বাইরের বিভিন্ন ভারতবিরোধী সংস্থার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। বিদেশি অর্থে পুষ্ট সংস্থা ডিপ স্টেট এর সঙ্গে যুক্ত লোকজন এবং ভারতবিরোধী শক্তিগুলি মিলে ভাষ্য তৈরি করছে। আমেরিকার ডোনারদের কাছ থেকে টাকা ঢুকছে অভিজিৎ দীপকের কাছে। আশুতোষ রাঙ্কার কাছ থেকে টাকা আসছে পাকিস্তানি রাজনীতিকদের কাছ থেকে।” (CJP Funding) #WATCH | Bengaluru | Union Minister Dr Jitendra Singh says, "There is enough evidence to show that they are being funded by unauthorised sources, by anti-India NGOs, and anti-India organisations within and outside the country. The foreign-funded NGOs, deep state operatives and anti-Indiaforces are manufacturing this narrative...Abhijeet Dipke has been receiving funds from USA-based donors, Ashutosh Ranka, paid by Pakistani politicians..." (03.11) — ANI (@ANI) November 4, 2026 আরও পড়ুন: Form 6 থেকে ঘোষণাপত্র শেষমেশ আলাদাই করে দিল EC, গোড়াতেই প্রশ্ন তুলেছিলেন ২ নির্বাচন কমিশনার অভিজিৎ যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। আমেরিকা এবং পাকিস্তান থেকে তিনি ও আশুতোষ টাকা পাচ্ছেন বলে যে মন্তব্য করেছেন জিতেন্দ্র, তার পাল্টা একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করেছেন অভিজিৎ। লিখেছেন, 'আর সৌরভকে'? কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা মাথায় তুলে ঘোরার একটি GIF-ও পোস্ট করেছেন। অন্য দিকে, আশুতোষ লেখেন, 'প্রশ্নপত্র কে ফাঁস করাল? পাকিস্তান। স্কুলগুলির সর্বনাশ কে করল? পাকিস্তান। ভোটচুরি কে করল? পাকিস্তান। দেশে বেকারত্ব বাড়াল কে? পাকিস্তান'। Aur saurav ko??? — Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) November 4, 2026 Paper leak kisne karaye? Pakistan. School barbaad kisne kiye? Pakistan. Vote chori kisne krwayi? Pakistan. Desh mein berozgaari kisne failayi? Pakistan. — Ashutosh Ranka (@AshutoshRanka) November 5, 2026 আরও পড়ুন: ৪৭০০ কোটি টাকা ঢেলেছিলেন ইলন মাস্ক, তার পরও আমেরিকার মিডটার্মে ধরাশায়ী ট্রাম্প, এবার ধনকুবেরের বিরুদ্ধেও তদন্ত? বিজেপি-র মুখপাত্র তুহিন সিনহা আবার দাবি করেছেন, উৎসবের মরশুমে রাজধানীর বুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিত ভাবে নিজেদের কর্মসূচি সাজায় CJP. গত একমাসে তারা যে কাজকর্ম চালাচ্ছিল, তার উদ্দেশ্য ছিল বিদ্রোহ উস্কে দেওয়া, নৈরাজ্য সৃষ্টি করা। অসৎ উদ্দেশ্য ছিল তাদের। দেশের ক্ষতি করাই লক্ষ্য ছিল। NDTV-কে তুহিন বলেন, "সিজেপি হোক বা কংগ্রেস, এবার বিচারবিভাগের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছে। শুনানি চলাকালীন রাহুল গাঁধী যেভাবে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যান, এটা করা যায় না। গুরুত্বপূর্ণ রায়ের আগে মক পার্লামেন্ট করার প্রয়োজন ছিল না একেবারেই। আসলে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতকে বদনাম করাই লক্ষ্য।" যে সময় কেন্দ্র এবং বিজেপি-র তরফে CJP-র বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হল, সেই সময়ই ফের অভিজিৎ, আশুতোষ এবং সৌরভকে তলব করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য, অনুমতি ছাড়া যন্তরমন্তরে প্রবেশ এবং অন্যের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।