Court on Maruti Suzuki E20 Car: ই২০ বিতর্কে গাড়ি বদলে দিতে মারুতি সুজুকিকে নির্দেশ আদালতের, পাল্টা অ্যাপিল করবে জানিয়েছে সংস্থা
রায়পুর, ছত্তীসগঢ়: বছর দুয়েক আগে প্রায় ২১ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি মারুতি সুজুকির স্ট্রং হাইব্রিড গাড়ি কিনেছিলেন রায়পুরের একজন চিকিৎসক। তথ্য বলছে, এই গাড়িটি ২০২৪ সালের জুন মাসে বিক্রি হলেও এই গাড়িটি তৈরি হয়েছিল ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে। ওই চিকিৎসকের দাবি, তাঁর গাড়ি গত ২ বছরে বারে বারে খারাপ হয়েছে। আর

রায়পুর, ছত্তীসগঢ়: বছর দুয়েক আগে প্রায় ২১ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি মারুতি সুজুকির স্ট্রং হাইব্রিড গাড়ি কিনেছিলেন রায়পুরের একজন চিকিৎসক। তথ্য বলছে, এই গাড়িটি ২০২৪ সালের জুন মাসে বিক্রি হলেও এই গাড়িটি তৈরি হয়েছিল ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে। ওই চিকিৎসকের দাবি, তাঁর গাড়ি গত ২ বছরে বারে বারে খারাপ হয়েছে। আর এর ফলেই কনজিউমার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। আরও পড়ুন: ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে আগুন-আতঙ্ক, মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন গাড়ি তো সকলের খারাপ হয়, কিন্তু তাহলে কনজিউমার আদালত ঐ গাড়িটিকে কেন বদলে দেওয়ার নির্দেশ দিল? তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের ১ এপ্রিলের পর ভারতে উৎপাদিত সমস্ত যাত্রীবাহী গাড়ি BS6 ফেজ-২ নিয়ম মেনে E20 কমপ্যাটিবল হতে হয়। কিন্তু এই গাড়িটি তৈরি হয়েছে তার প্রায় ৩ মাস আগে। আর এখানেই মূল সমস্যা। কারণ, ক্রেতা মনে করছেন এই গাড়িটি E20 কমপ্যাটিবল নয়। রায়পুরের ওই চিকিৎসকের অভিযোগ, গাড়িটিতে সমস্যা দেখা দেওয়ার আগে কোনও সমস্যা ছাড়াই ২১ হাজার ৯১৩ কিমি চলেছিল। তাঁর অভিযোগ এই গাড়ি E20 কমপ্যাটিবল নয়। আর সেই কারণেই E20 পেট্রোল বাজারে আসার পর গাড়িটি বারে বারে বিকল হতে থাকে। অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে বারবার তা ঠিক করানো হলেও ইঞ্জিন বারে বারে বিকল হতে থাকে। ওই চিকিৎসক বলছেন, গাড়ি কেনার সময় কখনওই তাঁকে জানানো হয়নি যে এই গাড়িটি E20 পেট্রোলের সঙ্গে কমপ্যাটিবল নয়। আরও পড়ুন: আরও ভাঙছে 'কালীঘাট তৃণমূল', মমতার হাত ছাড়ছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়ও, খবর সূত্রের এরপরই কনজিউমার আদালত থেকে মারুতি সুজুকিকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে ওই গাড়িটি বদলে দেওয়ার জন্য। নতুন গাড়িটি যেন E20 কমপ্যাটিবল হয়, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়। এ ছাড়াও বলা হয় যে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই সমস্যা সমাধান না হলে সংস্থাকে ওই গ্রাহককে গাড়ির সম্পূর্ণ দাম ফিরিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়াও মানসিক হয়রানি ও যন্ত্রণার জন্য ১ লক্ষ টাকা ও মামলার খরচ হিসাবে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে ওই চিকিৎসককে। যদিও মারুতি ও তার ডিলারশিপ এই সব অভিযোগের বিরোধিতা করেছে। সংস্থা জানিয়েছে এই গাড়িতে কোনও কমপ্যাটিবলিটি ইস্যু নেই। তাঁরা ইঞ্জিন খারাপ হয়ে যাওয়ার জন্য নিম্নমানের, দূষিত বা ভেজাল জ্বালানিকে দায়ী করছেন। একটি অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়ে মারুতি সুজুকি জানিয়েছে, গাড়ি থেকে সংগৃহীত জ্বালানিতে দূষণ বা ভেজালের প্রমাণ রয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, সংস্থা এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করবে।