Delhi Protest: 'শুনেছিলাম ভারত গণতান্ত্রিক দেশ', ককরোচদের আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল করে সরব প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার
নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে, শনিবার, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ-কর্মসূচির (Delhi Protest) ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। কিন্তু, ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) আন্দোলনে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। জনপথ-কর্তব্য়পথ এলাকার ৪ কিলোমিট

নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে, শনিবার, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ-কর্মসূচির (Delhi Protest) ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। কিন্তু, ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) আন্দোলনে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। জনপথ-কর্তব্য়পথ এলাকার ৪ কিলোমিটারের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। জারি করা হয় ১৬৩ ধারা। পুলিশ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয় দেশের রাজধানীর রাজপথ। বন্ধ করে দেওয়া হয় দিল্লির লাইফলাইন ৪৫টি মেট্রো স্টেশন। বাতিল করে দেওয়া হয় বহু দূরপাল্লার ট্রেন। দিল্লির যেকোনও দিক থেকে যন্তর মন্তরে আসার রাস্তায় কার্যত তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভের আগেই আটক হন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ বিজেপি বিরোধী চার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরা। এর মধ্য বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও ছিলেন। এই আবহেই আন্দোলনের পক্ষেই সওয়াল করে মুখ খুললেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জরেকর (Sanjay Manjrekar)। তাঁর দাবি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আরও পড়ুন:- 'রোজ যন্তর মন্তর যাব, যতদিন না জ্ঞানেশ কুমার...' ফের হুঁশিয়ারি ককরোচদের নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে সঞ্জয় মঞ্জরেকর লেখেন, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলন তো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অঙ্গ। আমি যতদূর শুনেছিলাম ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ।’ Peaceful protests is a democratic activity. Last time I heard India was a democratic country. — Sanjay Manjrekar (@sanjaymanjrekar) October 10, 2026 নেতা থেকে সাংবাদিক, সাংসদদের আটক নিয়ে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী তথা পরিবেশবিদ সোনম ওয়াংচুকও। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক নেতাদের না ছাড়া হলে তিনি ফের একবার অহিংস পদযাত্রা বা অনশনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে 'অঘোষিত এমার্জেন্সি' বলে আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, 'কিছুক্ষণ আগে জানলাম যে আজ দিল্লিতে বহু যুবনেতা, ছাত্রনেতা, আইনজীবী, সাংবাদিক, এমনকী সাংসদদেরও আটক করা হয়েছে। কাল আমি আপনাদের আজকের আন্দোলনে যখন শান্তি বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছিলাম, তখন ভেবেছিলাম বিশ্বের সবথেকে বড় গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অনুমতি তো দেওয়াই হবে। তবে এখন মনে হচ্ছে দেশে কোনও অঘোষিত আপদকাল বা এমার্জেন্সি চলছে। আমি এর কড়া নিন্দা করছি এবং সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যেন আজকে সন্ধের মধ্যে এইসব গ্রেফতারি থামিয়ে দেওয়া হয় এবং সবকিছুর সমাধান খুঁজে বের করা হয়।' তাঁর কথা মতো এমনটা না হলেই তিনি ফের অনশনে বসতে পারেন বা পদযাত্রা করতে পারেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন সোনম ওয়াংচুক। 'পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার এইগুলির সমাধান না হলে, আমিও একটি শান্তিপূর্ণ প্রদর্শন করার কথা ভাবতে বাধ্য হব। সেটা লেহ বা দিল্লিতে ধর্না, অনশন, পদযাত্রা যা খুশি হতে পারে। তবে আমি আশা করব তার আগেই সরকার আলোচনার মাধ্যমে সবটা সমাধান করবে এবং আমায় এমন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।' জানান সোনম ওয়াংচুক। [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]