Dharmendra Pradhan Resign: 'ককরোচদের সঙ্গে ঝামেলা করলে এমনই হয়, সবে তো উইকেট পড়া শুরু, এবার...' কাকে হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির?
নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণার পরই শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে উল্লাস শুরু হয়ে যায়। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এই পদক্ষেপকে “গণতন্ত্রের বিজয়” বলেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ কর

নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘোষণার পরই শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে উল্লাস শুরু হয়ে যায়। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এই পদক্ষেপকে “গণতন্ত্রের বিজয়” বলেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে বলেন, “সুবাহ গো গ্যায়া মামু। (সকাল হয়ে গেছে মামা)।” এদিন যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে সমবেত শত শত সমর্থককে উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে দীপকে বলেন, নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক নিয়ে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক বিক্ষোভের ফলেই প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনাটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জনচাপের শক্তিকে তুলে ধরেছে। মঞ্চ থেকে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই আন্দোলন দেখিয়ে দিয়েছে সাধারণ নাগরিকরাও ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহি করতে পারে। CJP সমর্থকদের উদ্দেশে অভিজিৎ দিপকে বলেন, “এটাই গণতন্ত্র। তিনি পদত্যাগ করেছেন... মনে রাখবেন, আরশোলার সঙ্গে ঝামেলা করতে যাবেন না। এঁরা সহজে পালিয়ে যায় না।” সিজেপি নেতার কথায়, 'এই পদত্যাগই প্রমাণ করে যে, আপনারা যদি ভয় না পান, যদি এই সরকারের কাছে মাথা নত না করেন, তাহলে আমরা যে কারও পদত্যাগপত্র নিতে পারি। নরেন্দ্র মোদিজি, গণতন্ত্রের সকাল হয়ে গেছে মামু। এটা তো শুরু, এটা কেবল প্রথম উইকেট। লড়াই এখনও শেষ হয়নি।' সিজেপি নেতা বিক্ষোভকারীদের অবিচল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং জোর দিয়ে বলেছেন যে মন্ত্রীর পদত্যাগ এই আন্দোলনের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য মাত্র। দিপকের মতে, সরকার আরও দুটি দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। তিনি এও বলেন, 'ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এটাই গণতন্ত্র। তিনি পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু আমাদের আরও দুটি দাবি আছে। আমরা এভাবে যাব না। ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু যে শিশুরা আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাদের তা পাওয়া উচিত। ওই সব পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ। আর দ্বিতীয়ত, ২০ তারিখে যে পুলিশ গুন্ডারা কাজ করেছিল। তার জন্য ওই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে'। সিজেপি নেতৃত্ব আরও বলেছে যে, সরকারের কাছে তিনটি প্রধান দাবি পেশ করেছে তাঁরা এবং লিখিত আশ্বাস পাওয়ার পরেই প্রতিবাদ প্রত্যাহার করবে আন্দোলন। বলা হয়েছে, 'সন্ধ্যা ৬টায় একটি শান্তিপূর্ণ দেশব্যাপী মোমবাতি মিছিলের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। যদি আপনারা আমাদের তিনটি দাবি লিখিতভাবে মেনে নেন, তবে আমরা বাড়ি ফিরে যাব। আমরা দেশজুড়ে একটি শান্তিপূর্ণ মোমবাতি মিছিল বের করার অনুমতি চেয়েছি কারণ আমাদের লক্ষ্য সমগ্র ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করা'।