Dhruv Rathee Citizenship: ধ্রুব রাঠী কোন দেশের নাগরিক? ভারতীয় না জার্মান? ছাড়া পেয়েই জবাব দিলেন ইউটিউবার
নয়াদিল্লি: তিনি ভারতের নাগরিক। ভারতের নাগরিকই থাকবেন। ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নিজস্ব অধিকারও প্রয়োগ করবেন। নাগরিকত্ব নিয়ে চলে আসা বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ঘোষণা ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীর। একদিন আগে তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। যদিও ধ্রুবের দাবি, ঘুম থেকে তুলে তাঁকে 'অপহরণ' করে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার ছাড়া পেয়েই

নয়াদিল্লি: তিনি ভারতের নাগরিক। ভারতের নাগরিকই থাকবেন। ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নিজস্ব অধিকারও প্রয়োগ করবেন। নাগরিকত্ব নিয়ে চলে আসা বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ঘোষণা ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীর। একদিন আগে তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। যদিও ধ্রুবের দাবি, ঘুম থেকে তুলে তাঁকে 'অপহরণ' করে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার ছাড়া পেয়েই সেই নিয়ে মুখ খুললেন ধ্রুব। নাগরিকত্ব নিয়ে চলে আসা বিতর্কেরও জবাব দিলেন সর্বসমক্ষেই। (Dhruv Rathee Citizenship Row) শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ধ্রুবের। তার আগেই সকাল সকাল গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় তাঁকে। শেষ পর্যন্ত রবিবার সকালে ছাড়া পান ধ্রুব। আর ছাড়া পেয়েই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন তিনি। বলেন, "আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। গত ২৪ ঘণ্টায় অনেক ভালবাসা পেয়েছি।" এর পর নিজের পাসপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুব বলেন, "সবার আগে একটা জিনিস পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিতে চাই। আমার পাসপোর্ট এটা। আমি ভারতীয় নাগরিক, ভারতের নাগরিক ছিলাম, আছি এবং থাকব।" (Dhruv Rathee Citizenship) I was not arrested or detained, I was KIDNAPPED. Thank you for your support, here's the full story 👇 https://t.co/gcN8cAUOmY — Dhruv Rathee (@dhruv_rathee) October 11, 2026 সমালোচকদের আক্রমণ করে ধ্রুব বলেন, "যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে আমাকে নিয়ে...যেভাবে আমার আটক এবং গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তি দিচ্ছেন যে, আমি অন্য দেশের পাসপোর্টের অধিকারী। আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অধিকার নেই। সব মিথ্যে। আমি ভারতীয় নাগরিক এবং ভারতের অন্য সাধারণ নাগরিকের মতো আমারও অধিকার রয়েছে।" উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত থেকে জার্মানি রওনা দিয়েছিলেন ধ্রুব। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বর্তমানে সেখানেই থাকেন তিনি। তবে ভারতে যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির বেঙ্গালুরুর আন্দোলনে দেখা যায় তাঁকে। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচদের সঙ্গেও আন্দোলনে থাকার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগেই আটক হন তিনি। এদিন ছাড়া পাওয়ার পর ধ্রুব জানিয়েছেন, তাঁকে আটক করা হয়নি, বরং বাড়ি থেকে 'অপহরণ' করা হয়। সকালে ঘুমও ভাঙেনি তাঁর। সেই সময় তাঁর মাকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে আসেন কিছু লোকজন। পরনে উর্দি ছিল না কারও। এসেই তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে টেনে নামানো হয়। পায়ে জুতো পর্যন্ত গলানোর সময় দেওয়া হয়নি। তাঁর এবং তাঁর মা-বাবার ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ধ্রুব। নিজের শরীরে আঘাতের চিহ্নও সকলকে দেখিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ধ্রুবের অভিযোগ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি পুলিশের তরফে।