Dilip Ghosh: "সবকটাকে ভিতরে ঢোকাবে সরকার, ... পড়ুয়াদের নাচাচ্ছিল", ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে 'দেশবিরোধী' কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের
রঞ্জিত সাউ, কলকাতা: এসএফআইয়ের মিছিল ঘিরে বিশৃঙ্খলা। শান্তিপূর্ণ মিছিল হঠাৎই হয়ে ওঠে হিংসাত্মক। আক্রান্ত হন পুলিশ থেকে সাংবাদিকরা। ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল ও সিপিএম সমর্থককে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে কাউকে কাউকে দেখা গিয়েছে কোনও কোনও তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গেও। এবার এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্

রঞ্জিত সাউ, কলকাতা: এসএফআইয়ের মিছিল ঘিরে বিশৃঙ্খলা। শান্তিপূর্ণ মিছিল হঠাৎই হয়ে ওঠে হিংসাত্মক। আক্রান্ত হন পুলিশ থেকে সাংবাদিকরা। ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল ও সিপিএম সমর্থককে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে কাউকে কাউকে দেখা গিয়েছে কোনও কোনও তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গেও। এবার এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন: অভিষেকের পার্টি অফিসের ভাঙা অংশের বৈধ কাগজই নেই, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের দাবি খারিজ রাজ্যের এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, "যে বা যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিয়েছে, তাদের আগে গ্রেফতার করা উচিত। এদের সোজা ভিতরে ঢোকানো উচিত। এই সব অ্যান্টি সোশ্যাল, যারা বিভিন্ন ব্যানারের তলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর যারা তাদের সেই ব্যানারের নীচে নিয়ে আসছে, সবকটাকে ভিতরে ঢোকানো উচিত। আমাদের সরকার ঢোকাবেও। সব ভিডিও আছে।" ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন দিলীপ। তিনি বলেন, দেশের সব মানুষের উচিত এই ককরোচ পার্টি ও তার সঙ্গী সাথী, যারা দেশবিরোধী আন্দোলন করছে তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা। আমাদের বিধায়করা বিধানসভায় কালো ব্যাজ পরে এর বিরোধিতা করেছেন। এরা ভেবেছে যা ইচ্ছা করতে পারে, সেটাই গণতন্ত্র। কিন্তু এমনটা চলতে পারে না। দেশের বেশিরভাগ মানুষই এদের বিপক্ষে। আর সেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে।" আরও পড়ুন: অভিষেকের নেতৃত্বে ফের স্পিকারের দ্বারস্থ 'কালীঘাট তৃণমূল', বিদ্রোহী ২০ সাংসদের পদ খারিজের আর্জির সিদ্ধান্ত জানতে চেয়ে চিঠি বিরোধীদেরও এদিন একহাত নিয়েছেন দিলীপ। রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, "পড়ুয়াদের নাচাচ্ছিল, সেটা পড়ুয়ারা বুঝতে পেরেছেন। পরে তারা সরে এসেছেন। তাদের আন্দোলনের একটা পয়েন্ট ছিল। ঠিক আছে, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ছাত্রদের স্বার্থ সর্বপ্রথম। যারা ছাত্রদের ব্যবহার করছিল, তারা এবার রাস্তায় বসে গিয়েছে। এমন চেষ্টা বারবার হয়েছে, বিফলও হয়েছে। এমন মানুষদের চিনে রাখা উচিত। যাতে এর সমাজে কোনও জায়গা না পায়।" ফের আন্দোলনে বসর ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিষয়েও আক্রমণাত্মক দিলীপ। তিনি বলেন, "আবার আন্দোলনে বসুক। বক্তব্য রাখুক। আন্দোলনের অধিকার আছে সকলেরই। কিন্তু তার মধ্যে যুক্তি থাকা উচিত। বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্ন লিক হয়েছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে পঞ্জাব, তেমন রয়েছে তেলঙ্গনা। এ ছাড়াও আছে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেস শাসিত রাজ্যও। সেখানে তো কেউ শিক্ষামন্ত্রীর পদটীউআগ চায়নি? যাদের দরকার, তারা এখানে এসে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছে। বোঝায় যাচ্ছে এর পিছনে কোনও একটা উদ্দেশ্য রয়েছে।"