Donald Trump : ভেতর থেকে কোনও এক কণ্ঠস্বর বলল, যাও ট্রাম্পকে মারো ! অস্ত্রসহ হোয়াইট হাউস চত্বর থেকে ধরা পড়ল ভেনেজুয়েলার যুবক
ওয়াশিংটন: মিড টার্ম ইলেকশনে ধাক্কার পর এবার কি প্রাণনাশের পরিকল্পনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের? হোয়াইট হাউসের কাছেই সন্দেহজনক একটি পিকআপ ট্রাক থেকে উদ্ধার হল বিপুল অস্ত্র ও গুলি। গাড়ির ভিতরে থাকা এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। ধৃত ব্যক্তি ভেনেজুয়েলার নাগরিক, বয়স ২৬ বছর

ওয়াশিংটন: মিড টার্ম ইলেকশনে ধাক্কার পর এবার কি প্রাণনাশের পরিকল্পনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের? হোয়াইট হাউসের কাছেই সন্দেহজনক একটি পিকআপ ট্রাক থেকে উদ্ধার হল বিপুল অস্ত্র ও গুলি। গাড়ির ভিতরে থাকা এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। ধৃত ব্যক্তি ভেনেজুয়েলার নাগরিক, বয়স ২৬ বছর। তদন্তকারীদের দাবি, ওই যুবক তাঁদের জানিয়েছেন, তাঁকে তাঁর বিবেক বলেছিল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুন করতে। তাঁর অন্তর থেকে কোনও কণ্ঠস্বর বলে, ট্রাম্পকে হত্যা করতে । আর সেই নির্দেশ পালন করতেই বেরিয়ে পড়েন তিনি। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতের। হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের এক আধিকারিক নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। সেই সময় কনস্টিটিউশন অ্যাভিনিউয়ের কাছে একটি নীল রঙের ফোর্ড এফ-১৫০ পিকআপ ট্রাকের উপর তাঁর নজর পড়ে। গাড়িটি হোয়াইট হাউস চত্বরের কাছেই দাঁড় করানো ছিল। গাড়ির ভিতরে সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসতেই চালকের কাছে যান ওই আধিকারিক। গাড়ির ভিতরে থাকা ব্যক্তিকে তিনি জিজ্ঞাসা করেন, তিনি নিরাপদ কি না এবং তাঁর কাছে কোনও অস্ত্র রয়েছে কি না। তদন্তকারীদের দাবি, অস্ রাখার কথা নিজেই জানিয়েছিলেন যুবক। এমনকী আঙুল দিয়ে বন্দুকের মতো ইশারাও করেন তিনি। এরপর গাড়ি থেকে নেমে আসেন ওই ব্যক্তি। ভাষাগত সমস্যার কারণে গুগল ট্রান্সলেটরের সাহায্যে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, ধৃত ব্যক্তির নাম রনি ইয়ারড্রিক্স গুয়ানিপা ক্রিনোস (Ronny Yordrix Guanipa Chrinos)। তাঁর কাছে একটি বন্দুক ছিল। কেউ নাকি তাঁকে ওই বন্দুক দিয়ে খুন করার চেষ্টা করেছিল। সেই ব্যক্তির কাছ থেকেই সেই বন্দুকটি কেড়ে নেন যুবক। এরপর গাড়ির ভিতরে রাখা একটি বাদামি রঙের ব্যাগের দিকে তদন্তকারীদের দৃষ্টি যায়। সেখান থেকে একটি AR-15 রাইফেল, দুটি হ্যান্ডগান এবং বেশ কিছু গুলি উদ্ধার হয়। অস্ত্রগুলি উদ্ধারের পরেই ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের কাছে ওই যুবক আশ্চর্য এক দাবি করেন। তিনি বলেন, তাঁর মাথার ভিতর থেকে আসা কণ্ঠস্বর তাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছিল। এখন , হোয়াইট হাউসের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বলয়ের কাছে অস্ত্রভর্তি একটি চুরি যাওয়া গাড়ি কীভাবে পৌঁছল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃত যুবকের আসল মোটিভ কী, কে তাঁকে অস্ত্রের জোগান দিল, জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।