Emergency Fund or FD: হাতে ১ লক্ষ টাকা থাকলে ফিক্সড ডিপোজিট নাকি এমার্জেন্সি ফান্ড, কোথায় রাখলে বেশি লাভ?
কলকাতা: আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টে যদি অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা থাকে, তাহলে সেই টাকা কীভাবে ব্যবহার করবেন, তা নিয়ে পরিকল্পনা করা জরুরি। একদিকে ফিক্সড ডিপোজিটে ভাল সুদ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, অন্যদিকে জরুরি প্রয়োজনে হাতে নগদ টাকা রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পুরো টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগ করার আগে নিজের

কলকাতা: আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টে যদি অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা থাকে, তাহলে সেই টাকা কীভাবে ব্যবহার করবেন, তা নিয়ে পরিকল্পনা করা জরুরি। একদিকে ফিক্সড ডিপোজিটে ভাল সুদ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, অন্যদিকে জরুরি প্রয়োজনে হাতে নগদ টাকা রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পুরো টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগ করার আগে নিজের আর্থিক পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। আরও পড়ুন: "একজন জেলে চলে গিয়েছে, বড় চোর যাবে, চিন্তার কোনও কারণ নেই", মঞ্চ থেকে নাম না করে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর হঠাৎ চিকিৎসার খরচ, চাকরি চলে যাওয়া কিংবা বাড়ি মেরামতের মতো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে জরুরি তহবিল বা Emergency Fund কাজে আসে। এই ফান্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, প্রয়োজন হলেই তা ব্যবহার করা যায়। সাধারণত বিশেষ কোনও জরিমানা ছাড়াই সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা সম্ভব। ধরা যাক, কোনও ব্যক্তির মাসিক উপার্জন ৫০ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খরচ ৩০ হাজার টাকা। তাঁর হাতে ১ লক্ষ টাকার জরুরি তহবিল থাকলে আয় বন্ধ হয়ে গেলেও প্রায় তিন মাসের বেশি সময় প্রয়োজনীয় খরচ চালানো সম্ভব। যে টাকা ভবিষ্যতে হঠাৎ প্রয়োজন হবে না, সেই টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা যেতে পারে। এতে নির্দিষ্ট মেয়াদে সুদ পাওয়ার সুযোগ থাকে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে টাকা তুললে ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা দিতে হতে পারে অথবা সুদের হার কমে যেতে পারে। আরও পড়ুন: মমতা তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যের আত্মীয়ের বাড়িতে হামলা, গর্ভে মৃত্যু সন্তানের যদি আপনার কোনও জরুরি সঞ্চয় না থাকে, তাহলে প্রথমে সেই তহবিল তৈরি করাই উচিত। সাধারণভাবে অন্তত ৩ থেকে ৬ মাসের প্রয়োজনীয় খরচের সমান টাকা সহজে তোলা যায়, এমন জায়গায় রাখা ভাল। ইতিমধ্যেই পর্যাপ্ত জরুরি সঞ্চয় থাকলে অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকার একটি অংশ ফিক্সড ডিপোজিটে রাখতে পারেন। মনে রাখবেন, বেশি সুদের আশায় আর্থিক নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা ঠিক নয়। প্রথমে জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিন, তারপর বিনিয়োগের মাধ্যমে টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন।