ENG vs IND: অক্ষরের অলরাউন্ড শো, গিলের অধিনায়কোচিত ইনিংসে ইংল্যান্ড সফরে ভারতের প্রথম জয়
বার্মিংহাম: বিলেত সফরটা গোটা ভারতীয় দলের জন্যই ভাল কাটেনি। পরের পর ছয়টি টি-২০ ম্যাচ হেরেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই টি-২০-তে অলরাউন্ডার হিসাবে অক্ষর পটেলের (Axar Patel) পারফরম্যান্স নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। ব্যাটে তিনি রান পাননি, বলে তেমন উইকেট নেই, উপরন্তু প্রচুর রান খরচ করেছিলেন তিনি। তবে তিনি

বার্মিংহাম: বিলেত সফরটা গোটা ভারতীয় দলের জন্যই ভাল কাটেনি। পরের পর ছয়টি টি-২০ ম্যাচ হেরেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই টি-২০-তে অলরাউন্ডার হিসাবে অক্ষর পটেলের (Axar Patel) পারফরম্যান্স নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। ব্যাটে তিনি রান পাননি, বলে তেমন উইকেট নেই, উপরন্তু প্রচুর রান খরচ করেছিলেন তিনি। তবে তিনি অবশেষে ফর্মে ফিরলেন এবং তাঁর ফর্মে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতও জয়ের সরণিতে ফিরল। বার্মিংহামের এজবাস্টনে ইংল্যান্ডকে (ENG vs IND) কার্যত হেলায় হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ়ে এগিয়ে গেল টিম ইন্ডিয়া। ব্য়াটে, বলে অক্ষর তো অনবদ্য পারফর্ম করলেনই, পাশাপাশি অধিনায়কোচিত ইনিংস খেললেন শুভমন গিলও (Shubman Gill)। ফলে ২৮ বল বাকি থাকতেই ইংল্যান্ডকে ছয় উইকেটে হারাল ভারত। এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক শুভমন গিল। ব্যাটে নেমে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার বেন ডাকেট ও জেকব বেথল শুরুটা ভালই করেছিলেন। ডাকেটই মূলত আগ্রাসী মেজাজে ব্যাটিং করছিলেন। বিনা উইকেটেই অর্ধশতরান যোগ করে ফেলেন দুইজনে। তবে দুইজনকেই একই ওভারে ফেরান গুরনুর ব্রার। বেথেল ১৪ ও ডাকেট ৪৩ রানে আউট হন। এরপরেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। জস বাটলার, হ্যারি ব্রুক ও স্যাম কারান রান পাননি। জোড়া উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃ্ষ্ণ। হ্যারি ব্রুককে আউট করেন বুমরা। উইল জ্যাকসকে শিবম দুবে ২০ রানে আউট করলে ইংল্যান্ড ১০৭ রানেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ড দু'শো রানের গণ্ডিও পার করতে পারবেন না, তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জো রুট ও লিয়াম ডসন। সপ্তম উইকেটে তারা ১২১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। ডসন কেরিয়ারের প্রথম অর্ধশতরান হাঁকান। জো রুটও হাফসেঞ্চুরি করেন। দুইজনের সংগ্রহ যথাক্রমে ৬৮ ও ৭৬ রান। তবে অক্ষর পটেল শেষমেশ এই পার্টনারশিপ ভাঙেন। রুট অপরাজিত থাকলেও অক্ষরের স্পিন জালেই পরাস্ত হয় ইংল্যান্ডের লোয়ার অর্ডার। ৩০ রানে শেষ চার উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড ২৫৮ রানে অল আউট হয়ে যায়। জবাবে ভারতের ইনিংসে দুই মহাতারকা রো-কো রান পাননি। রোহিত ১১ ও কোহলি পাঁচ রানে সাজঘরে ফেরেন। ৫০-র গণ্ডি পার করার আগেই টিম ইন্ডিয়া দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে। এমন সময়ে দলের অধিনায়ক শুভমন গিলকে সঙ্গ দিতে নামেন সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দুইজনে শতাধিক রানের পার্টনারশিপ গড়েন। গিল ধীরে ধীরে প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়ান ডেতে শতরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে পেশির টানের জেরে গিলকে ৮০ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হতে হয়। এরপরেই শ্রেয়স আইয়ারও ৩৫ রানে রান আউট হন। কেএল রাহুলও এক রানে আউট হন। হঠাৎই পরপর উইকেট হারিয়ে ফের একবার চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরেই দুই ভারতীয় অলরাউন্ডার অক্ষর পটেল এবং ওয়াশিংটন সুন্দর ইনিংসের হাল ধরেন। অক্ষর আগ্রাসী মেজাজে ব্যাটিং করেন, সুন্দর দেখেশুনে পার্টনারশিপ এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৯ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন অক্ষর, শেষবেলায় ৬৩ বলে অর্ধশতরান হাঁকিয়ে সুন্দর ভারতের জয় সুনিশ্চিত করেন। অক্ষর ৫৭ ও সুন্দর ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। [yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]