Gujarat News: একা হাতে ছেলে মানুষ করা 'বোঝা', বাবার হাতে একরত্তি সন্তানের ভয়ঙ্কর পরিণতি, ঘটনা শুনে শিউরে উঠছেন সকলে
গুজরাত : বাবার হাতেই ছেলের ভয়ঙ্কর পরিণতি। অভিযোগ, পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে আড়াই বছরের ছেলেকে মেরে ফেলেছেন বাবা। তারপর প্রমাণ লোপাটের জন্য স্থানীয় একটি কবরখানায় পুঁতে দিয়েছেন ছোট্ট শিশুর পোড়া দেহ। গুজরাতের সুইগাম এলাকা যা ভাভ-থারাড় জেলার অন্তর্গত, সেখানে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অভিযুক্তকে ইতিম

গুজরাত : বাবার হাতেই ছেলের ভয়ঙ্কর পরিণতি। অভিযোগ, পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে আড়াই বছরের ছেলেকে মেরে ফেলেছেন বাবা। তারপর প্রমাণ লোপাটের জন্য স্থানীয় একটি কবরখানায় পুঁতে দিয়েছেন ছোট্ট শিশুর পোড়া দেহ। গুজরাতের সুইগাম এলাকা যা ভাভ-থারাড় জেলার অন্তর্গত, সেখানে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ এবং খুন ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার অভিযোগ একাধিক ধারায় অভিযুক্তর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কিন্তু কেন একরত্তির সঙ্গে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই ব্যক্তি ? পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তর নাম অশোক রাওয়াল। ছেলের দেখভাল তাঁকে একাই করতে হত। কারণ অশোকের স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী'র অনুপস্থিতিতে একা হাতে ছেলে মানুষ করার দায়িত্ব সামলাতে পারছিলেন না অশোক। প্রতিদিন নানা সমস্যায় পড়তে হতো তাঁকে। আর তার জেরে নিজের সন্তানকেই বোঝা মনে হতে শুরু করে অশোকের। পরপর ৮ রাউন্ড গুলি, ছেলের সামনেই লুটিয়ে পড়লেন বাবা, মর্নিং ওয়াকে যাওয়ার আগেই সাংঘাতিক ঘটনা গত ১৩ অক্টোবর ওই ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটান অশোক রাওয়াল। দুপুর ১টা থেকে ২টোর মধ্যেই এইসব কাণ্ডকারখানা করেছিলেন তিনি, এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রে। ওই সময়েই পেট্রোল ঢেলে নিজের সন্তানকেই জ্বালিয়ে দেন বাবা। এরপর আবার সাংঘাতিক ভাবে পুড়ে যাওয়া একরত্তিকে নিয়ে হাসপাতালেও ছুটে গিয়েছিলেন অশোক। অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে বাচ্চাটির। নিজের অপরাধ লুকিয়ে রাখার জন্য অভিযুক্ত অশোক এবং তাঁর পরিবারের আরও কিছু সদস্য স্থানীয় একটি কবরখানায় বাচ্চাটির দেহ কবর দিতে সাহায্য করেন। বাচ্চাটির মৃত্যুর পরে পরেই তাকে কবর দেওয়া হয়। নৃশংস এই খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে যখন অভিযুক্তর কাকা বাবুভাই রাওয়াল এই ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। ভাইপোর এ হেন কীর্তিকলাপে হতভম্ব হয়ে প্রথমে সুইগাম থানায় যান বাবুভাই রাওয়াল। সেখানে ভাইপোর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ পাওয়ার পর, পুলিশের একটি দল ওই কবরস্থানে যায় এবং উদ্ধার করে বাচ্চাটির দেহ। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে ওই বাচ্চাটির দেহ, জানিয়েছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে। পুলিশ হেফাজতে রয়েছে অভিযুক্ত। এই নৃশংস ঘটানোর ঘটানোর পিছনে কী কী কারণ রয়েছে তা তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সুইগাম এলাকার বাসিন্দারা এই ঘটনা জানার পর শিউরে উঠেছেন। কীভাবে একজন বাবা তাঁর সন্তানের সঙ্গে এমন কাণ্ড ঘটাতে পারেন, তা ভেবেই আঁতকে উঠছেন সকলে।