Gyanesh Kumar: জ্ঞানেশ কাণ্ডে দিল্লিতে কাছাকাছি সিপিএম ও মমতা, কোন পথে রাজ্য নেতৃত্ব ?
আশাবুল হোসেন, দীপক ঘোষ ও সুদীপ্ত আচার্য, কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমার ইস্য়ুতে জাতীয় স্তরে সিপিএম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছাকাছি এলেও রাজ্য নেতৃত্ব কি সেই পথে হাঁটবে? সিপিএম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলেন, ছাত্র ও যুবদের উপর হামলা, শুধু মোদি ও অমিত শাহ নয়, পুলিশ ও নির্ভীক বাহিনী, আরএসএসের নি

আশাবুল হোসেন, দীপক ঘোষ ও সুদীপ্ত আচার্য, কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমার ইস্য়ুতে জাতীয় স্তরে সিপিএম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছাকাছি এলেও রাজ্য নেতৃত্ব কি সেই পথে হাঁটবে? সিপিএম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলেন, ছাত্র ও যুবদের উপর হামলা, শুধু মোদি ও অমিত শাহ নয়, পুলিশ ও নির্ভীক বাহিনী, আরএসএসের নির্দেশ মেনে চলছে। মমতা তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, বিচারের জন্য় আমরা মিছিল করব। যাতে সমস্ত ভারতবাসী বিচার পায়।' [yt]https://youtu.be/89eBIySB6_s?si=IR3yFsJkCFKixC95[/yt] আরও পড়ুন, FORM 6 নিয়ে বক্তব্য স্পষ্ট করল সুপ্রিম কোর্ট, কী বার্তা এবার দেশের শীর্ষ আদালতের ? “SIR মামলার রায় ঘোষণার সময় এই সংশোধিত ফর্মটির অস্তিত্বই ছিল না..” ভোট চুরি করে জেতার জন্য় বিজেপিকে মদত দিচ্ছেন জ্ঞানেশ কুমার। ইচ্ছামতো ব্য়বহার করছেন নির্বাচন কমিশনের সিস্টেমকে। এই অভিযোগে এক সুরে দিল্লিতে সরব সিপিএম ও মমতা তৃণমূল। এক টেবিলে বৈঠকে বসছে তারা। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে চিঠি চালাচালির পাশাপাশি ফোনেও কথা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু প্রশ্ন হল, বিজেপি বিরোধিতায় কি পশ্চিমবঙ্গে একজোট হতে পারে মমতা তৃণমূল ও সিপিএম? এই প্রেক্ষাপটে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শোনা গেছে সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্বর গলায়। বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে সবাই মিলে 'INDI' জোটের লোকেরা লড়াই করবে, এটাই স্বাভাবিক এবং রাজ্য়ে রাজ্য়ে ভিন্নতা, অভিন্নতা, তাকে বিচার করেই কাজ করতে হবে। এর মধ্য়ে কিন্তু খুঁজে লাভ নেই। আমি পশ্চিমবঙ্গের কথা বলছি, এর মধ্য়ে দিয়ে গঙ্গা দিয়ে যেমন জল অনেক বয়ে যাবে। যমুনা দিয়েও অনেক জল বয়ে যাবে। তখন ঠিক হবে। এখনই ঠিক করার প্রশ্ন নেই। রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প। এ রাজ্য়েও কি সিপিএম ও মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় কাছাকাছি আসতে পারে? মমতা তৃণমূলের নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজনীতিতে কোনও অসম্ভব নেই। কল অফ দ্য টাইম। একটা শক্তিকে সরাতে জোট করা যেতেই পারে। পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপি। মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,'সিপিএমের নেতা এম এ বেবির পা ধরছে তৃণমূল। সবাই সেটা দেখছে। এই জন্য় এরা শেষ হয়ে গেছে। তাই আজ নামও নেই, নিশানও নেই।' রাজনীতিতে কী না হয়।ইন্দিরা গান্ধীকে হারাতে জয়প্রকাশ নারায়ণের মতো গান্ধাবাদী নেতাও জনসঙ্ঘের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আবার নরেন্দ্র মোদিরাও কাশ্মীরে উঠতে বসতে যে দলকে আক্রমণ করত, সেই পিডিপির সঙ্গে জোট করে সরকার তৈরি করেছিল। কংগ্রেস থেকে রাজনৈতিকভাবে যার জন্ম, সেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ও নতুন দল তৈরি করেই, কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন। তাই রাজনীতিতে সবই সম্ভব।