Health Insurance: ৬০ পেরোলেই স্বাস্থ্যবিমা জরুরি, সরকারি প্রকল্প নাকি বেসরকারি পলিসি, কোনটি বেশি ভাল?
কলকাতা: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একদিকে যেমন খরচ বাড়ে তেমনই বৃদ্ধি পায় চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা। একই সঙ্গে হাসপাতালের খরচও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু, হাসপাতালে ভর্তি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ কিংবা দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসার খরচ সামলাতে অবসরকালীন সঞ্চয়ের উপর চাপ পড়ে। তাই ৬০ বছর বয়স পেরিয়ে গেলে স্বাস্থ্যবিমা অত্যন্ত গু

কলকাতা: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একদিকে যেমন খরচ বাড়ে তেমনই বৃদ্ধি পায় চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা। একই সঙ্গে হাসপাতালের খরচও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু, হাসপাতালে ভর্তি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ কিংবা দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসার খরচ সামলাতে অবসরকালীন সঞ্চয়ের উপর চাপ পড়ে। তাই ৬০ বছর বয়স পেরিয়ে গেলে স্বাস্থ্যবিমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প এবং বেসরকারি পলিসি—২ ধরনের বিকল্পই রয়েছে। তবে কোনটি বেশি উপযোগী, তা নির্ভর করছে বয়স, যোগ্যতা ও চিকিৎসার প্রয়োজনের উপর। আরও পড়ুন: কালীপুজোর আগেই লাফিয়ে বাড়ল সোনার দাম, প্রায় ৫ হাজার টাকার মতো বেড়েছে রুপোর দামও সরকারি স্বাস্থ্যবিমার অন্যতম সুবিধা হল, যোগ্য উপভোক্তাদের নিয়মিত প্রিমিয়াম দিতে হয় না। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY)-র আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পায়। অন্যদিকে, আয়ুষ্মান বয় বন্দনা প্রকল্পে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কভারেজের সুবিধা রয়েছে। এর জন্য উপার্জনের কোনও সীমা নেই। তবে ৬০ থেকে ৬৯ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে PM-JAY-এর নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত প্রযোজ্য। প্রকল্পের আওতাভুক্ত হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধাও পাওয়া যায়। আবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা। যে সব পরিবার এক সময় স্বাস্থ্য সাথী পেতেন, কিন্তু আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে আসেন না, তাঁদের জন্য এই পলিসি শুরু করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, বেসরকারি পলিসিতে বিমার অঙ্ক, হাসপাতালের নেটওয়ার্ক এবং অতিরিক্ত সুবিধা বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে। কিছু পলিসিতে আগে থেকে যে সব রোগ রয়েছে, সেই সব রোগের চিকিৎসাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তবে ওয়েটিং পিরিয়ড, কী কী বিষয় স্বাস্থ্য বিমার মধ্যে আসে না সেগুলো এবং মেডিক্যাল পরীক্ষার শর্ত খতিয়ে দেখা জরুরি। বয়স বাড়লে প্রিমিয়াম সাধারণত বাড়ে। একই সঙ্গে কো-পেমেন্ট, রুম রেন্টের সীমা এবং নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসায় খরচের ঊর্ধ্বসীমাও থাকতে পারে। ফলে বেসরকারি যে কোনও পলিসি বেছে নেওয়ার আগে সেই পলিসি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাক জরুরি। ৭০ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি প্রকল্প সাশ্রয়ী বিকল্প হতে পারে। বেশি কভারেজ বা বিস্তৃত হাসপাতাল নেটওয়ার্ক চাইলে বেসরকারি পলিসিও বিবেচনা করা যায়। নিয়ম মেনে ২ ধরনের কভারেজ একসঙ্গেও রাখা সম্ভব। সিদ্ধান্তের আগে প্রিমিয়াম, ওয়েটিং পিরিয়ড, কো-পেমেন্ট এবং পছন্দের হাসপাতাল বিমার আওতায় রয়েছে কি না, তা যাচাই করুন।