IND vs ZIM: "কে কী বলছে কিছু এসে যায় না", ম্যাচের সেরা হয়ে কাকে নিশানা করলেন ঈশান কিষাণ?
হারারে: একটা সময় মনে হয়েছিল, আড়াইশো পেরিয়ে যেতে পারে ভারতের স্কোর। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জ়িম্বাবোয়ের বোলিংকে তখন শাসন করছেন ভারতীয় ব্যাটাররা। তবে জ়িম্বাবোয়েকে চূর্ণ করে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টি-২০ সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পর ম্যাচের সেরা ঈশান কিষাণ জানিয়ে দিলেন, আড়াইশো স্কোরের লোভ সংবরণ করেছিল

হারারে: একটা সময় মনে হয়েছিল, আড়াইশো পেরিয়ে যেতে পারে ভারতের স্কোর। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জ়িম্বাবোয়ের বোলিংকে তখন শাসন করছেন ভারতীয় ব্যাটাররা। তবে জ়িম্বাবোয়েকে চূর্ণ করে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টি-২০ সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পর ম্যাচের সেরা ঈশান কিষাণ জানিয়ে দিলেন, আড়াইশো স্কোরের লোভ সংবরণ করেছিলেন তাঁরা। বরং জোর দেওয়া হয়েছিল পার্টনারশিপ তৈরিতে। যা জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ৯০ রানে বিরাট জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। ঈশান যখন ক্রিজে নেমেছিলেন, ৩ ওভারের মধ্যে ভারতের স্কোর ২৯/২। বেশ চাপ তৈরি হয়েছে টিম ইন্ডিয়ার ওপর। সেখান থেকে ৪৪ বলে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ঈশান। অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের সঙ্গে ৬৬ রানের পার্টনারিশিপ গড়েন তিনি। তারপর তিলক বর্মার ২৯ বলে অপরাজিত ৬০ রানের ইনিংস ভারতকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দেয়। প্রথমে ব্যাট করে ২১৯/৫ তোলে ভারত। জবাবে ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১২৯ রানে অল আউট হয়ে যায় জ়িম্বাবোয়ে। ভারত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে। শেষ ম্যাচটি এখন শুধুই নিয়মরক্ষার। ম্যাচের সেরা হওয়ার পর ঈশান বলেছেন, 'তিন নম্বরে যেই ব্যাট করুক না কেন, তার কাজ হল বল দেখো আর নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলো। উইকেটও বুঝতে হয়। অনেক চিন্তাভাবনা চলে, ২৫০ তুলব, নাকি ২৩০ তুললেই হবে, নাকি উইকেট ১৭০-১৮০ রানের। শ্রেয়স আইয়ার ক্রিজে আসার পর সেগুলি নিয়ে চিন্তাভাবনাও চলছিল। আমরা এটা পার্টনারশিপ গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম যাতে লম্বা ইনিংস গড়া যায়। আমরা ভালভাবে ব্যাটিং করে সেই পরিকল্পনা কাজে লাগিয়েছি।' আরও পড়ুন: পোলিও কেড়ে নিয়েছিল হাঁটার ক্ষমতা, নাম নিয়ে চলত ঠাট্টা, দেশের হয়ে পদক জিতে জবাব ঝান্ডু কুমারের কীভাবে ব্যাটিং করা উচিত, তা নিয়ে বাইরের কথাবার্তায় কান দিতে চান না ঈশান। বলেছেন, 'বাইরে কী হচ্ছে তা নিয়ে আমি ভাবতে চাই না। আমি জানি কীভাবে খেলা উচিত। সেই মুহূর্তটায় বাঁচাটা খুব জরুরি। বহির্বিশ্বে কী হচ্ছে সেটা নিয়ে না ভেবে। কে বেশি রান করছে, কে বেশি মারছে সেসব নিয়ে না ভেবে। সকলেই মারকুটে হতে পারে। তবে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামলে আর যদি দুটি উইকেট পড়ে যায়, তাহলে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝা জরুরি। ঝুঁকি নেব নাকি পার্টনারশিপ গড়ব? বল মারা কি সহজ? উইকেট বুঝে সেই বুঝে খেলা উচিত।' ভারতের টানা ক্রিকেট সূচির চ্যালেঞ্জও মেনে নিয়েছেন ঈশান। আয়ার্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া টি-২০। তারপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ, তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ। তারপরই জ়িম্বাবোয়ে সফর। রবিবার তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে নামছে ভারত। পরপর দুদিন ম্যাচ। ঈশান বলছেন, 'খুবই কঠিন। ইংল্যান্ডে এতগুলো ম্যাচে খেললাম। আয়ার্ল্যান্ড থেকে শুরু হয়েছিল। তারপর আচমকা জ়িম্বাবোয়ে সফরে এসে খেলা। এবং পরপর ২ দিন দুটি ম্যাচ।'