India Poverty Rate: মুছে যাবে ভারতের দারিদ্রতা ! কত সালের মধ্যে ? বড় তথ্য প্রকাশ বিশ্ব ব্যাঙ্কের
কলকাতা: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে আমাদের দেশে। তার মধ্যে অন্যতম দারিদ্রের চিত্র। গত কয়েক বছরে ভারতের দারিদ্রতার গ্রাফটি দ্রুত হ্রাস পেয়েছে। এবং এখন অনুমান করা হচ্ছে যে, ভবিষ্যতে এই হার আরও বাড়বে। অক্টোবর ২০২৬-এর ‘দারিদ্র্য ও সমতা বিষয়ক তথ্য’ (Poverty and Equity Brief) অনু
কলকাতা: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে আমাদের দেশে। তার মধ্যে অন্যতম দারিদ্রের চিত্র। গত কয়েক বছরে ভারতের দারিদ্রতার গ্রাফটি দ্রুত হ্রাস পেয়েছে। এবং এখন অনুমান করা হচ্ছে যে, ভবিষ্যতে এই হার আরও বাড়বে। অক্টোবর ২০২৬-এর ‘দারিদ্র্য ও সমতা বিষয়ক তথ্য’ (Poverty and Equity Brief) অনুসারে, গত কয়েক বছরে দেশটির দারিদ্রের হার ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং নিম্ন-মধ্য আয়ের দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের জনসংখ্যার হার ২০১১ সালের ৫৭.৭ শতাংশ থেকে কমে ২০২৩ সালে ১৬.১ শতাংশতে নেমে এসেছে। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী আনুমানিক ৪৯৬ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন। কিন্তু, সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাঙ্কের একটি তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কী জানিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক ? বিশ্বব্যাঙ্কের ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের হিসেব অনুযায়ী, দেশে দৈনিক ৪.২ ডলার বা প্রায় ৩৭০ টাকার কম ব্যয় করা মানুষের সংখ্যা কমেছে। এই হার ২০২৬ সালের ১৪.২% থেকে কমে ২০২৮ সাল নাগাদ ১২.১%-এ নেমে আসতে পারে। বিশ্বব্যাঙ্কের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১১ সালে মোট জনসংখ্যার ৫৭.৭ শতাংশ নিম্ন-আয়ের দেশগুলোর মধ্যে ভারতও দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে এই সংখ্যাটি কমে ১৬.১ শতাংশে নেমে আসে। এই দশকে প্রায় ৪৯৬ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এটি ইঙ্গিত দেয় যে দেশে দারিদ্র্য দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। বিশ্বব্যাঙ্কের মতে, ২০১১ সালে ভারতের জনসংখ্যার ২৭.১% মানুষ চরম দারিদ্রের মধ্যে বাস করত। ২০২৩ সালের মধ্যে এই সংখ্যাটি কমে ২.৬%-এ নেমে এসেছে। অন্যদিকে আবার, যদি বেশি আয়ের নিরিখে দারিদ্র্যসীমা পরিমাপ করা হয়, তাহলে সামগ্রিক ছবিটা অন্যরকম দেখায়। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ দৈনিক ৮.৩ ডলারের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত। বর্তমান সময়ে এটি দারিদ্রের উল্লেখযোগ্য হ্রাসের ইঙ্গিত দিলেও, এখনও বড় সংখ্যক মানুষের আয় ও ব্যয় করার ক্ষমতা সীমিতই রয়ে গেছে। দারিদ্র হ্রাসের পেছনে কী কারণ বলছে বিশ্বব্যাঙ্ক ? বিশ্বব্যাঙ্ক তার প্রতিবেদনে দারিদ্রতা হ্রাসের কারণগুলো প্রকাশ করেছে । প্রতিবেদন অনুসারে, দারিদ্রতা হ্রাসের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতে আনুমানিক ১৩৪ মিলিয়ন মানুষ কর্মসংস্থান পেয়েছেন। এই সংখ্যাটি একই সময়ের পূর্ববর্তী পরিসংখ্যানের প্রায় দ্বিগুণ। এতে গ্রামীণ মহিলার একটি বড় ও প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন। আগে মহিলার বাড়িতে থাকতেন, কিন্তু বর্তমানে মহিলার এখন উপার্জন হয় এমন কাজে নিজেকে নিযুক্ত করেছেন। এর ফলে পরিবারে উপার্জনকারী সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে এবং সংসারের খরচ মেটাতে সাহায্য করছেন তাঁরা।